রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

নেত্রকোনায় ৫ কলেজে পাশ করেনি কেউ

নেত্রকোনায় ৫ কলেজে পাশ করেনি কেউ...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ পিএমসর্বশেষ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
নেত্রকোনায় ৫ কলেজে পাশ করেনি কেউ

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নেত্রকোনার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি কলেজ এবং একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সংশোধিত ফলাফলের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তালিকায় দেখা যায়, শতভাগ অকৃতকার্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো- কেন্দুয়ার গোপালপুর মডেল কলেজ, কলমাকান্দার কলমাকান্দা মহিলা কলেজ, পূর্বধলার খলিশাপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, পূর্বধলার এম্বিশন মডেল কলেজ ও একই উপজেলার জোবায়দা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি নন-এমপিও কলেজ এবং একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোনা জেলার ১০টি উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১৩ হাজার ৯১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৮৭৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৮ হাজার ৩৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০ জন। জেলায় গড় পাশের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাশের হার খালিয়াজুরীতে ৪৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এরপর কেন্দুয়ায় ৪৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং নেত্রকোনা সদরে ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ পাশের হার উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে বারহাট্টায় পাশের হার সবচেয়ে কম, ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ।

ফলাফলে দেখা যায়, জেলাজুড়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উত্তীর্ণদের চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষ করে শতভাগ অকৃতকার্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল শিক্ষার মান ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) মুনমুন জাহান লিজা বলেন, শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ