মাসিক মজুরি ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আজও বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা কারখানা ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
তারা কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ, কোনাবাড়ী, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এ সময় শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রী ও চালকেরা।
জানতে চাইলে নাওজোর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, শ্রমিকদের অবস্থানের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, মহাসড়ক ও শিল্প কারখানাগুলোর সামনে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) আমজাদ হোসেন বলেন, ‘শ্রমিক আন্দোলনের কারণে গতকাল গাজীপুরে ৪৫টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আজও বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছে।
‘আজ মোট কতগুলো কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি,’ বলেন তিনি।
এদিকে কোনো ধরনের সহিংসতা ও সংঘর্ষ এড়াতে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন।
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসাইনসংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তৈরি পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে গতকাল পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে সরকার।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, মজুরি বোর্ড গঠন হওয়ায় শ্রমিকেরা রাস্তা ছেড়ে কলকারখানায় যোগ দেবেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি, দ্রুততম সময়ে বোর্ড বসবে এবং এটিকে একটি পর্যায়ে নিয়ে যাবে।



