ভোরের কুয়াশা চিরে যখন সূর্যের প্রথম কিরণ কীর্তনখোলা বা পদ্মার বুকে সোনালী আভা ছড়ায়, তখন বৈঠা হাতে ঘাটে হাজির হন প্রবীণ মাঝি রহিম উল্লাহ। চার দশক ধরে নদীর বুকে বৈঠা বাইছেন তিনি। কত জোয়ার-ভাটা, কত ঝড়-তুফান দেখেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই।
আধুনিক স্পিডবোট আর ট্রলারের ভিড়ে বৈঠা বাওয়া নৌকার কদর কমেছে সত্য, তবে শান্ত নদীর বুকে মাঝির কণ্ঠে ভাটিয়ালি গান এখনো ভ্রমণপিপাসু ও গ্রামবাসীর মন ছুঁয়ে যায়। মাঝিদের জীবন নদীর মতোই উদার, অথচ অনিশ্চয়তায় ভরা।
নদীর ভাঙন, পরিবারের দায়িত্ব আর বয়সের ভার নিয়ে মাঝিরা এখনো প্রতিদিন নদীকে সাক্ষী রেখে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন পরম ভালোবাসায়।


