শরৎ ও শীতের রাতে গ্রামের খোলা মাঠে শামিয়ানা টাঙিয়ে বসত যাত্রার আসর। দূরদূরান্ত থেকে হারিকেন আর টর্চ জ্বেলে মানুষ আসত যাত্রা দেখতে। রাজা-বাদশাহর কাহিনি থেকে শুরু করে সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠত যাত্রাপালার পাণ্ডুলিপিতে।
বিশেষ করে 'বিবেক' চরিত্রের আগমন ও গান দর্শকদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলত। যাত্রাশিল্পীদের আবেগঘন অভিনয় গ্রামের সাধারণ মানুষকে মোহিত করে রাখত সারা রাত।
চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের ব্যাপক প্রসারে যাত্রার সোনালী যুগ কিছুটা ম্লান হলেও সুস্থ ধারার যাত্রাপালা রক্ষায় নাট্যপ্রেমীরা এখনো কাজ করে যাচ্ছেন।


