সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

আন্তর্জাতিক

কঙ্গোয় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার দায়ে ২৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার অভিযোগে ২৭ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত জানায়, এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারি অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন তারা।

ফ
ফাতেমা খানম· আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২১ এএমসর্বশেষ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২১ এএম
কঙ্গোয় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার দায়ে ২৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটার অভিযোগে ২৭ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত। আদালতের নথি অনুযায়ী, ‘কাপুরুষতা’র অভিযোগে এসব সেনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তারা এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারি অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়।

দক্ষিণ কিভু প্রদেশের উভিরায় সামরিক আদালতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২১তম সিম্বা ব্যাটালিয়নের অন্তত ১১২ সেনার বিচার শুরু হয়েছিল। আগস্ট মাসে পূর্ব কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য করে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। আদালত জানিয়েছেন যে শুক্রবার মোট ৫৪ সেনাকে নির্দেশ অমান্য করার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও ১০ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় অন্তত ২১ সেনাকে খালাস দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন নারী।

রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, উভিরাকে ঘিরে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় এসব সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছিল। এর আগে গত মে মাসে একই ধরনের ঘটনায় ৫৮ কঙ্গোলিজ সেনাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল একটি সামরিক আদালত। তারাও এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় সম্মুখসারি থেকে সরে যাওয়ায় ‘নির্দেশ অমান্যের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সর্বশেষ বিচার চলাকালেও উভিরা এলাকায় এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। পূর্ব কঙ্গোর দীর্ঘদিনের সংঘাতের অন্যতম প্রধান পক্ষ এম২৩ বিদ্রোহীরা। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে তারা প্রাদেশিক রাজধানী গোমা ও বুকাভুসহ পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নিয়েছে।

কঙ্গো সরকার, জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলো এম২৩-কে প্রতিবেশী রুয়ান্ডা সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে। তবে রুয়ান্ডা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ডেইলি বরিশাল-কে জানান যে, স্থানীয় আইনশৃদ্ধ সূত্রগুলো অভিযোগ করেছে যে, মৃদা ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য সেনাবাহিনীগত আদালতের এই আদেশটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনা। আদালতের এই আদেশের প্রতিবাদী শাসন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তীব্র নিন্দা প্রকাশ পেয়েছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ফ

ফাতেমা খানম

আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা

আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান সংবাদদাতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ