একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে ক্ষুদ্র পরিবার গড়ে ওঠার কারণে সমাজে প্রবীণরা ক্রমশ একা হয়ে পড়ছেন। জীবনের সোনালী দিনগুলো যারা সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে উৎসর্গ করেছেন, বৃদ্ধ বয়সে তাদের অনেকেরই দিন কাটে নিঃসঙ্গতায় বা বৃদ্ধাশ্রমে।
প্রবীণদের সুচিকিৎসা, বিনোদন ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানের নৈতিক দায়িত্ব। হাসপাতালে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য আলাদা কাউন্টার ও বিশেষ সেবার ব্যবস্থা থাকা উচিত।
পারিবারিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসাই কেবল পারে প্রবীণদের শেষ বয়সটাকে আনন্দময় ও সম্মানজনক করে তুলতে।


