মুর্তা বা পাটিবেত সংগ্রহ করে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ফালিতে কেটে রোদে শুকানো এবং তারপর নিপুণ হাতে বোনা—এ এক জটিল ও ধৈর্যশীল সাধনার কাজ। শীতলপাটির প্রতিটি ভাঁজে ফুটে ওঠে শিল্পীর ভালোবাসা ও প্রাচীন ঐতিহ্য।
গরমের দিনে শীতলপাটিতে শুলে শরীর জুড়িয়ে যায়। প্রচলিত নকশার পাশাপাশি পাটিতে এখন ময়ূর, তাজমহল, ফুল ও জ্যামিতিক নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়, যা শৌখিন অন্দরসজ্জায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কারণে শীতলপাটি এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রবাসী ও বিদেশিদের ঘরেও সমাদৃত হচ্ছে, যা কারিগরদের নতুন আশা জাগাচ্ছে।


