দেশের দেওয়ানি মামলার প্রায় ৭০ শতাংশেরই মূল উৎস ছিল জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও জালিয়াতি। নতুন ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন কার্যকর হওয়ার ফলে জাল দলিল চক্রের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি মামলা দায়েরের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে জমি দ্রুত প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের আদেশ দিচ্ছেন। এতে অসহায় প্রবাসীরা এবং সাধারণ গৃহস্থরা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বেদখল হওয়ার ভয় থেকে মুক্ত হয়েছেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মার্ট ভূমি রেকর্ড ও ডিজিটাল পর্চা জালিয়াতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

