চুক্তি সই হওয়ার পর কেটে গেছে তিন বছর। কিন্তু আজ পর্যন্ত পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় ১০ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়কটির নির্মাণকাজ শুরুই হয়নি। তারপরও ১৫ কোটি ৯২ লাখ টাকার কার্যাদেশের বিপরীতে এরই মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি, অর্থাৎ ১৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা পেয়ে গেছেন ঠিকাদার।
জনগণের করের টাকা লুটপাটের এটি একটি ছোট্ট উদাহরণ মাত্র। এই লুটপাটে সরকারি কর্মকর্তা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের একটি চক্র জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে এবং সেই চক্রে রয়েছে জেলার দুজন সাবেক সংসদ সদস্যের নাম।
২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নেওয়া ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প তদন্ত করে অন্তত আটটিতে ১ হাজার ১৯৫ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে পিরোজপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
এসব প্রকল্পে ঠিকাদার ভিন্ন ভিন্ন হলেও দুর্নীতির চিত্র একই। শুধু তাই নয়, আলোচ্য এই আটটি প্রকল্প থেকেই কাজ পেয়েছে একই পরিবারের মালিকানাধীন আটটি প্রতিষ্ঠান।
পরিবারটি পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন মহারাজের। আর এসব কার্যাদেশ গেছে তার তিন ভাই ও এক ভাবির নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে।
নথি বলছে, এসব ঠিকাদারকে আগাম অর্থ ছাড়, একই কাজের জন্য একাধিকবার অর্থ পরিশোধ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং সরকারি নথি গায়েব ও সংরক্ষণে অনিয়মের মাধ্যমে এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এলজিইডির আগস্ট ২০২৬-এর একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন ঠিকাদারকে ৯৩৬ কোটি টাকার প্রকল্পের বিপরীতে ৯৯৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে—অর্থাৎ চুক্তিমূল্যের চেয়ে ৬০ কোটি টাকা বেশি।
এছাড়া, বরিশালের ৪২টি উপজেলায় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে দক্ষিণাঞ্চলের আয়রন ব্রিজ পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য নেওয়া প্রকল্পটি (আইবিআরপি) ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বাস্তবে এর মাত্র অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে।
প্রকল্পগুলোর নথি বিশ্লেষণ করেসংবাদমাধ্যম দেখতে পায়, আটটি প্রকল্পের সম্মিলিত চুক্তিমূল্য ২ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। সম্পন্ন কাজের শতাংশ বিবেচনায় এ পর্যন্ত ৮২৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ছাড় করার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে এরই মধ্যে ২ হাজার ৬৯ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা সম্পন্ন হওয়া কাজের ব্যয়ের চেয়ে প্রায় ১ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা বেশি।
আগস্টে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় পরিকল্পিত ১০ দশমিক ৬ কিলোমিটার মালিয়ার হাট-কৈখালী সড়কটি পরিদর্শন করেসংবাদমাধ্যম দেখতে পায়, এর কিছু অংশের অবস্থা একেবারেই নাজুক।
এই সড়কে নিয়মিত মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করেন মন্টু হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে, গত কয়েকমাসেই আমি মোটরসাইকেল থেকে ছয়বার পড়ে গেছি। বেঁচে গেছি যে, ওই সময় আমার আগে-পিছে রাস্তায় অন্য কোনো গাড়ি ছিল না। না হলে বড় বিপদে পড়তাম।
সড়কটি বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের ১৭৯টি প্যাকেজের একটি। তবে প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ।
অথচ নথিপত্র অনুযায়ী, চুক্তিমূল্যের ৮৯ শতাংশ অর্থাৎ ৬২৪ কোটি টাকা এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।
প্রশ্নবিদ্ধ সড়কটির নির্মাণকাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম ‘ইএফটিই ডট ইটিসিএল (প্রাইভেট) লিমিটেড’, যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবেক এমপি মহিউদ্দীন মহারাজের ভাই ও ভান্ডারিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম।
তেলিখালী কনস্ট্রাকশন এবং ইএফটিই ডট ইটিসিএল (প্রাইভেট) লিমিটেড মিলে পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্যের প্রায় ৩৭৫টি কাজের ঠিকাদারি পেয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণাকারী মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ২০০টি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোই ছিল একমাত্র দরদাতা।
‘এসব ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো আর কোনো দরদাতা ছিল না, অথবা অন্যদের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগই দেওয়া হয়নি,’ বলেন তিনি।
‘যেভাবে টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য,’ সাংবাদিকদের বলেন এলজিইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি আরও জানান, দুর্নীতির ধরন ও মাত্রা থেকে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় কার্যালয়গুলোর সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এলজিইডির পৃথক এক তদন্ত প্রতিবেদনেও একই সিদ্ধান্তে আসা হয়।
এতে বলা হয়, আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ ‘স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং আগের (আওয়ামী লীগ) সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সর্বোচ্চ পদধারী কর্মকর্তাদের সরাসরি সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব ছিল না।
এলজিইডির প্রতিবেদনে মহারাজ ও মিরাজুল ছাড়াও পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, রেজাউলের ছোট ভাই ও নাজিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলম সিদ্দিকী শাহিন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার নাম রয়েছে।
এলজিইডির পিরোজপুর কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক একেএম মোজাম্মেল হক খানও তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, রাজনীতিক ও কর্মকর্তারা যোগসাজশ করেছিলেন।
তিনি বিশেষভাবে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার হাওলাদারের নাম উল্লেখ করেন, যিনি বিলগুলো অনুমোদন করেছিলেন।
পিরোজপুর এলজিইডির বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এরই মধ্যে ওই আট ঠিকাদারকেই কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদনের পর তাদের অধীনে থাকা প্রকল্পগুলোও বাতিল করা হবে।
এসব প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরুর বিষয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা পাননি বলেও জানান তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলজিইডির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ও আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত প্রকল্পগুলোর কাজ সম্ভবত আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, ‘তাই এসব প্রকল্পের কাজ আবার শুরু হতে আরও অনেক সময় লাগবে।
এলজিইডির তদন্ত এবং সাম্প্রতিক এক নিরীক্ষায় কাগজপত্র ও নথি সংরক্ষণে অনিয়মের কথাও উঠে এসেছে।
২০২৫ সালে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ১৭টি প্রকল্পে ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকার অডিট আপত্তি তোলে।
প্রতিবেদনে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই সেতু নির্মাণ ও একই কাজের জন্য একাধিক প্রকল্পের আওতায় বিল দাখিলের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রামীণ সেতু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ইএফটিই ডট ইটিসিএল (প্রাইভেট) লিমিটেডের সঙ্গে ২১ লাখ ৪২ হাজার টাকার একটি চুক্তি সই করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিবর্তে রুপালি কনস্ট্রাকশনের নামে ১৫ কোটি ৪ লাখ টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়।
এসব অসংগতির ব্যাখ্যায় জেলা হিসাব রক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বিল, ভাউচার ও অন্যান্য সহায়ক নথি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
কয়েকটি ফাইলে শুধু হিসাবরক্ষক ও নির্বাহী প্রকৌশলীর সই করা নোটশিট পাওয়া গেছে, যেখানে অন্য কোনো কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছিল না।
হিসাব শাখায় অন্তত ৩৪০টি নথি পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এলজিইডির তদন্ত দলের কাছে মোজাম্মেল জানান, নির্বাহী প্রকৌশলীদের নির্দেশে ঠিকাদাররা নথিপত্র নিজেদের কাছে রেখেছিলেন। তিনি আরও বলেন, আবদুস সাত্তার হাওলাদার তাকে নিয়মবহির্ভূত বিলগুলোতে সই করতে বলেছিলেন।
মোজাম্মেল বলেন, ‘আবদুস সাত্তার হাওলাদার আমাকে বলেছিলেন, আপনি শুধু সই করুন। কোনো কিছু নিয়ে ভাবতে হবে না। পুরো দায় আমি নেব।
গত বছর এসব অনিয়মের ঘটনায় ২৭ জনের বিরুদ্ধে আটটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—মহিউদ্দীন মহারাজ, মিরাজুল ইসলামসহ মহারাজের আরও দুই ভাই, মিরাজুলের স্ত্রী শামীমা এবং স্থানীয় এলজিইডি ও জেলা হিসাব রক্ষণ কার্যালয়ের ২২ কর্মকর্তা।
কাজ আংশিকভাবে সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও আটটি প্রকল্পের আওতাধীন বিভিন্ন স্কিম থেকে ১ হাজার ৮০ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগে মামলাগুলো করা হয়েছে।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, মহিউদ্দীন মহারাজ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে নিবন্ধিত আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মূলত এসব টাকা তুলে নেওয়া হয়।
মামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে এলজিইডির পিরোজপুর কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক একেএম মোজাম্মেল হক খান কারাগারে মারা যান, আর হিসাব রক্ষণ কার্যালয়ের পাঁচ কর্মকর্তা জামিনে রয়েছেন।
বাকি অভিযুক্তরা পলাতক বলে সাংবাদিকদের জানান দুদকের পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।
২০২৬ সালের মার্চে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মহিউদ্দীন মহারাজ, আবদুস সাত্তার হাওলাদার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আরও নয়টি মামলা করে দুদক। মামলাগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন।
অন্যদিকে, দুদক অভিযুক্তদের পিরোজপুর ও ঢাকায় থাকা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ জব্দ করেছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।
যোগাযোগ করা হলে শ ম রেজাউল করিম ফোনে বলেন, ‘ওই সময়ে আমি মন্ত্রী ছিলাম না। আমার কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও ছিল না। আর এলজিইডির ওপরও কোনো কর্তৃত্ব ছিল না।
তবে নথিপত্রে দেখা যায়, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মন্ত্রিসভায় রদবদলের সময় রেজাউলকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী করা হয়। এর আগে তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন।
অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতের অভিযোগ অস্বীকার করেন রেজাউলের ভাই ও ২০২৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়া নূরে আলম সিদ্দিকী শাহীন।
মহিউদ্দীন মহারাজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি আমি প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই এবং মাত্র সাত মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছিলাম।
‘যে সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তখন সরকারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আমি ছিলাম না। এছাড়া, এসব অভিযোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই আমার সম্পৃক্ততা নেই,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এসব অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, কাল্পনিক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ।
সব অভিযোগ অস্বীকার করে মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘নির্মাণকাজ শেষ হয়নি বলে যেসব প্রকল্পের কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলোর কাজ আসলে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে, বছরের শেষে বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাওয়া ঠেকাতে কিছু আগাম অর্থ ছাড়ের বিষয়টি স্বীকার করে মিরাজুল দাবি করেন, ‘কাজ না করে কোনো টাকা তোলা হয়নি।
তিনি আরও জানান, ‘আমি এখনো প্রকল্পের বাকি কাজগুলো শেষ করতে চাই। এর জন্য অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছি। আগাম ছাড়কৃত অর্থ সমন্বয় করতেও আমি প্রস্তুত।
এ বিষয়ে মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া ও আবদুস সাত্তার হাওলাদারের মন্তব্য জানতেসংবাদমাধ্যম একাধিকবার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
(সংবাদমাধ্যমের পিরোজপুর সংবাদদাতা হাবিবুর রহমান প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন।



