সিলেটের গোলাপগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীকে আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) করাতেও বাধ্য করা হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কালীকৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কালীকৃষ্ণপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলামের (২২) সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওই গৃহবধূর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৬ মাস আগে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আগের স্বামীর সঙ্গে তালাক দেওয়ানো হয়। এরপর সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে বিয়ের আশ্বাসে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জাহিদুল।
সর্বশেষ গত ১৩ অক্টোবর রাতে কালীকৃষ্ণপুর গ্রামে ভুক্তভোগীর মামার বাড়িতে গিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় বিয়ের জন্য চাপ দিলে জাহিদুল জানায়, সে এখন বিয়ে করবে না; বিদেশে গিয়ে ফিরে এসে বিয়ে করবে। একপর্যায়ে বিয়ে করতে সাফ অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও চিৎকার শুরু হয়। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে জাহিদুল কৌশলে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জাহিদুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছবেদ আলী জানান, গৃহবধূর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



