ঢাকার সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে এলাকাবাসী।
এসময় অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে জনতার ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে পুলিশ।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন।
অভিযুক্ত আব্দুল বারী (৫০) ওই মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থী আজ বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়ি অবস্থিত।
এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ওই ব্যক্তি বলেন, ‘খবর পেয়ে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মাদ্রাসায় যায়। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে না থাকলেও তার স্ত্রী ও ছেলে সেখানে ছিলেন। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ভবনটিতে ভাঙচুর শুরু করেন। ফলে পুলিশসহ সেখানে থাকা অন্য ব্যক্তিরাও আটকা পড়েন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমরাও পুলিশের সঙ্গে ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছিলাম।
পরে সাভার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। পরিদর্শক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন ছিল।



