ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার শনিবার রাতটা শেষ করেছেন চরম হতাশায়। ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে বাহিয়ার কাছে ১-০ গোলে হেরেছে তার দল সান্তোস। সেই ম্যাচে আবার অদ্ভুত কারণে লাল কার্ড দেখেছেন নেইমার।
এখানেই শেষ নয়। এই লাল কার্ডের ফলে দুটি ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি। তার কারণ অবশ্য ২টি। একটি প্রথমার্ধে পাওয়া হলুদ কার্ডের শাস্তি হিসেবে এবং অন্যটি সরাসরি লাল কার্ডের কারণে।
ম্যাচের বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে বাহিয়ার মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে তর্কে জড়ান নেইমার। বারবার প্রতিপক্ষকে কথা শোনানোর একপর্যায়ে মুখ ঢেকে নেস্তরের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। নেস্তর বিষয়টি রেফারিকে জানান। পরে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) সহায়তা নিয়ে নেইমারকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি আলোচনায় এসেছে ‘ভিনি জুনিয়র নিয়ম’ ঘিরে। প্রতিবেদনের দাবি, ২০২৬ বিশ্বকাপের সময় থেকে কার্যকর হওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের সঙ্গে তর্কের সময় মুখ ঢেকে কথা বললে খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। ব্রাজিল ও রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানির বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তোলার পর এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে নেইমারের শাস্তির পেছনে শুধু লাল কার্ডই নয়, রয়েছে প্রথমার্ধের ঘটনাও। ওই সময় নেস্তরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। এটি ছিল চলতি শাস্তি-গণনায় তার তৃতীয় হলুদ কার্ড। ফলে প্রথমার্ধের হলুদ কার্ডের কারণে একটি ম্যাচ এবং সরাসরি লাল কার্ডের কারণে আরেকটি ম্যাচে নিষিদ্ধ হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাঠ ছাড়ার সময়ও উত্তেজনা কমেনি নেইমারের। প্রতিবেদনের দাবি, পিচ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে নেস্তরের সঙ্গে ফের সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। পরে ক্যামেরার সামনে কথা বলার সময় বাহিয়ার এই মিডফিল্ডারের বিরুদ্ধে অসদাচারণের অভিযোগও তোলেন সান্তোসের ১০ নম্বর জার্সিধারী।



