লক্ষ্মীপুরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খোরশেদ আলম (৪৫) দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
লক্ষীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক সাংবাদিকদের বলেন, খোরশেদ স্থানীয় ‘খোরশেদ বাহিনী’ নামে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান ছিলেন। পাশাপাশি ইটভাটায় মাটি সরবরাহের ব্যবসা করতেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও মাটির ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে খোরশেদের বাহিনীর সদস্যরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। স্থানীয় ওয়ালিদের নেতৃত্বে মান্না, ইব্রাহিম ছোট্টু, কামরুল, বাচ্চু, হিরু ও জহিরসহ চার থেকে ছয়জন এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে বলে জানা গেছে।
এসপি বলেন, এ ঘটনায় ইব্রাহিম ছোট্টু ও মাসুদ রানাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছে।
খোরশেদের স্ত্রী মুক্তা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মাটির ব্যবসা করতেন। এ ব্যবসা নিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সময়ে ওই গোষ্ঠী আমার স্বামীকে হুমকি দিতো। তারাই আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি ও আমার সন্তানরাও এখন নিরাপদ নই।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য খোরশেদের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।



