তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুটা বাংলাদেশ করল দারুণভাবে। আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, কাজটা করলেন নাঈম হাসান। তার তোপের মুখে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হয়েছে। এই সেশনে ৮ ওভারে ৩২ রানের মধ্যে ৪ উইকেট পড়েছে। ফলে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিড পেয়েছে।
বল হাতে সবচেয়ে সফল অফ স্পিনার নাঈম হাসান। তিনি মোট ৪ উইকেট নিয়েছেন। যার ৩টি এসেছে এই সেশনে।
সেশনের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। প্রথম ১৪ বলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ চারটি চার মারে। তখন মনে হচ্ছিল, তারা বড় স্কোরের দিকে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে তিনটি চার মেরেছিলেন অভিষিক্ত জশুয়া বিশপ। তাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ২৩৪ রান।
এরপর আসে নাঈমের ম্যাজিক। এক ওভারে তিনি দুই উইকেট নেন। ওভারের দ্বিতীয় বলে শামার জোসেফ আউট হন। নাঈমের শর্ট বলে তিনি উইকেটকিপার লিটনের হাতে ক্যাচ দেন। ওই ওভারের শেষ বলে জোমেল ওয়ারিক্যানও শর্ট বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। সে ওভারের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ ব্যাটার জেইডেন সিলসকেও তিনি আউট করেছেন।
জোসেফকে আউট করেই নাঈম টেস্টে ৫০ উইকেট পূর্ণ করেন। বল খরচের হিসাবে বাংলাদেশি স্পিনারদের মধ্যে এটি সবচেয়ে দ্রুত ৫০ উইকেট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুজন ফিফটি করেছেন। তারা হলেন জন ক্যাম্পবেল ও তেজনারায়ণ চন্দরপল। দলের অধিনায়ক রোস্টন চেজ অপরাজিত ছিলেন ৪৩ রানে।



