কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হ্নীলা ইউনিয়নের গহিন পাহাড় থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ।
নিহতরা হলেন- হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আব্দুস সালামের ছেলে মোকতার কামাল (৪০) ও ২নং ওয়ার্ডের আমতলী ঘোনা এলাকার কালু ফকিরের ছেলে মো. আকবর প্রকাশ আব্বুইয়া (৩৬)।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে মৃত অবস্থায় মোকতার কামালকে পানখালী ভিলেজার পাহাড় থেকে এবং মো. আকবর প্রকাশ আব্বুইয়াকে মুরুং পাহাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আহত অবস্থায় আরও দুজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, হোয়াইক্যং ডৈংগকাটা এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে আলী আহমদ ও আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইলিয়াস।
উদ্ধার হওয়া মো. ইলিয়াস জানান, ৩-৪ দিন আগে হোয়াইক্যং তুলাতলি এলাকার আব্দুল্লাহর ছেলে মিজান এক লাখ পিস ইয়াবা দিয়ে মিজানের মাদক পার্টনারের কাছে এগুলো পৌঁছে দিতে তাদের চার জনের সঙ্গে চুক্তি করেন। পরে তারা চার জন মিলে ওই ইয়াবা নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে গেলে পথিমধ্যে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা।
ওই ঘটনায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ও স্বীকার করাতে মিজানের ভাড়াটে লোকজন তাদের চার জনকে বাড়ি থেকে ধরে গহিন পাহাড়ে মাদক কারবারিদের আস্তানায় নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন করেন। এ সময় তাদের নির্যাতনে দুজনের মৃত্যু হয়। পরে তাদের ফেলে মিজানের ভাড়াটে লোকজন পালিয়ে যায়। এরপর সকাল হলে স্থানীয়রা তাদেরকে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে দুটি লাশসহ তাদের উদ্ধার করেন।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী বলেন, সকালে দুজনের লাশ পড়ে আছে বলে স্থানীয়রা আমাকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। ওই ঘটনা যারা করিয়েছে, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে টেকনাফের হ্নীলা পানখালী ভিলেজার পাড়া ও পাহাড় থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করেছি। তাদের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।






