কারাবন্দি ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা-কর্মীরা লংমার্চ শুরু করেছে। রোববার খাইবার পাখতুনখয়ের লাক্কি মারওয়াত থেকে সোয়াবি পর্যন্ত লংমার্চের প্রথম ধাপ শুরিকরণ হয়। তবে এখন পর্যন্ত ইসলামাবাদ অভিমুখে কোনও পদযাত্রার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়নি।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখর উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, কোনভাবেই মিছিলকে ইসলামাবাদের সীমানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
খাইবার-পাখতুনখয়ের মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদির দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় লাক্কি মারওয়াতের গান্ধী চক থেকে লংমার্চের প্রথম ধাপ শুরিকরণ হয়। এরপর ট্যাংক, ডেরা ইসমাইল খান, দক্ষিণ ও উত্তর ওয়াজিরিস্তান, বান্নু ও লাক্কি মারওয়াতের নেতাকর্মীরা এতে যোগ দেবেন। রাতে কাফেলা কারাক এলাকায় অবস্থান করবে। এরপর কোহাত, পেশোয়ার ও চরসাদ্দার দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
আগামী ৮ অক্টোবর খাইরাবাদে কেপির বিভিন্ন এলাকা থেকে পিটিআই নেতাকর্মীদের সমবেত করার পর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দলীয় প্রতিষ্ঠাতার কারাবাসের প্রতিবাদে পিটিআই গত আগস্ট মাসে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে ‘লংমার্চ’ ঘোষণা দিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের দুই-একদিন আগে দলটি এই কর্মসূচি পিছিয়ে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছিল।
পিটিআইয়ের ‘লংমার্চ’ নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে শনিবার সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও কোনও সমঝোতা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে দেশটির ভেতরে ও বাইরে থেকে চাপ ও মন্তব্য জানিয়েছে বিভিন্ন পক্ষ। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মার্চের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।



