ঐতিহাসিক শতবর্ষী নজরুল পাঠাগার ভবনটিকে সংস্কারের নামে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ক্লাবে রূপান্তরের ঘটনায় স্থানীয় লেখক, সাহিত্যপ্রেমী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ইতিহাসবিদ ও প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, বহু দশক ধরে এই পাঠাগারটি অঞ্চলের অন্যতম প্রধান জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি ভবনটিতে সাধারণ পাঠকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে এটিকে একটি ক্লাবে রূপান্তর করা হয়েছে।
নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই ভবনটিকে মূল পাঠাগার হিসেবে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।



