দুর্ঘটনার বিবরণ
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। হঠাৎ দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার এসে তাকে চাপা দেয়। স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে গাড়ির নিচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বের করে আনেন, কিন্তু ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কালো রঙের প্রাইভেট কারটি ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেওয়ার পর গাড়ি থেকে দুজন ব্যক্তি নেমে আসেন। ডান পাশ (চালকের আসন) থেকে কালো টি-শার্ট পরা এক কিশোর নেমে আসে, অপর পাশ থেকে শার্ট পরা মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি গাড়ি থেকে বের হন। পরে কিশোরটিকে গাড়ির পাশ থেকে সরাতে দেখা যায়।
গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন প্রথম আলোকে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। জনতা ঘটনাস্থল থেকে এক কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এবং প্রাইভেট কারটিও জব্দ করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন জানান, আটক কিশোর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন কর্মকর্তার ছেলে এবং গাড়িটি তার পরিবারের। গাড়িটি একজন চালক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Source: ProthomAlo






