ধাতব ঠোকাঠুকির সেই সুমধুর ছন্দ আর শোনা যায় না ঐতিহ্যবাহী কাঁসারিপাড়ায়। তামার সাথে রাং মিশিয়ে তৈরি হতো খাঁটি কাঁসা, আর দস্তা মিশিয়ে তৈরি হতো পিতল। কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় তৈরি হতো থালা, ঘটি, বাটি ও বিশাল ডেকচি।
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, কাঁসার পাত্রে খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর। কিন্তু উৎপাদনের উচ্চ ব্যয় এবং দক্ষ কারিগরের অভাবের কারণে এই শিল্পের স্থান দখল করে নিয়েছে স্টেইনলেস স্টিল ও মেলামাইন।
কিছু সৌখিন সংগ্রাহক ও গবেষক এখন প্রাচীন কাঁসা-পিতলের সামগ্রী সংরক্ষণ করছেন, যা আমাদের গৌরবময় অতীতের সাক্ষ্য বহন করে।


