মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার প্রায় ৭৫ কিলোমিটার সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে পুশইন করতে সচেষ্ট রয়েছে বিএসএফ। আর কড়া পাহারায় তা ব্যর্থ করে দিচ্ছে বিজিবি। গত তিন দিনে বিজিবি অন্তত ৩০ জনের পুশইন প্রতিরোধ করেছে।
বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সীমান্তে ড্রোন ক্যামেরা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, টহল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করেছে।
সীমান্তে বসবাসকারী লোকজন ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে বড়লেখা সীমান্তের পাল্লাথল, নিউ পাল্লাথল, গান্ধাই, কুমারশাইল ও জুড়ী সীমান্তের ফুলতলা, লাঠিটিলাসহ দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন বনাঞ্চলসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বিএসএফ অব্যাহতভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিজিবি স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে বিএসএফের অন্তত ৩০ জনের পুশইন প্রতিহত করেছে। কয়েকটি পয়েন্টে পুশইনকালে বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির বাগবিতণ্ডারও ঘটনা ঘটেছে। বিএসএফ ভারতীয় মানসিক বিকারগ্রস্ত ব্যক্তিদেরও পুশইন করতে পিছপা হচ্ছে না।
রোববার সন্ধ্যায় জুড়ী সীমান্তে দ্বিতীয়বারের মতো এক ভারতীয় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির পুশইন ঠেকিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আতাউর রহমান সুজন জানান, গত তিন দিনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় বিএসএফের ঠেলে দেওয়া অন্তত ৩০ জনের পুশইন প্রতিহত করেছে বিজিবি। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ড্রোন ক্যামেরা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি ও দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে।



