বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নীতিমালার আওতায় বাণিজ্যিক ও মানবিক উদ্দেশ্যে ড্রোনের ব্যবহার আইনি বৈধতা ও গতিশীলতা পেয়েছে। দক্ষ ড্রোন পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি উপকূলীয় এলাকায় ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পর দ্রুততম সময়ে ক্ষয়ক্ষতির ম্যাপিং তৈরি করতে ড্রোন ফুটেজ দারুণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরুরি রক্তের ব্যাগ ও অ্যান্টিভেনম পৌঁছাতে ড্রোন পরিবহন সফল প্রমাণিত হয়েছে।
আধুনিক ক্যামেরা ও থার্মাল সেন্সরযুক্ত এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে স্মার্ট সিটি ব্যবস্থাপনার প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠবে।



