পিএসজির তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমির ধর্ষণ মামলার আইনি প্রক্রিয়ায় এখন শেষ পর্যন্ত পৌঁছালো শেষ চেষ্টা। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আইনি সংস্থা ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’ এই মরক্কোর ডিফেন্ডারের আপিল গেটিয়ে দিয়েছে। ফলে তার চেষ্টা মামলাটি আন্দরাল বা খারিজ করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির নিজ বাসভবনে ঘটে যাওয়া এক অঘটনের সঙ্গে জড়িত। ওই তরুণী সংবাদিকাকে অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি হাকিমির সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে যোগাযোগ করেন এবং তার বাড়িতে যান। পরবর্তীতে তিনি হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। ঘটনার পাঁচ দিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠিত হয়।
তবে শুরু থেকেই হাকিমি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তার আইনজীবী দল প্রথমে মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিল। গত বছরের ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন। এরপর হাকিমি উচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’-এ যান, যা সম্প্রতি চূড়ান্তভাবে তার আপিল গেটিয়ে দিয়েছে।
এখন মামলাটি প্যারিসের পশ্চিমে অবস্থিত ও-দে-সেন বিভাগীয় অপরাধ আদালতে পর্যালোচনার মুখোমুখি। এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হলেও না, তবে আগামী বছরই মামলাটির বিচারকাজ শুরু হতে পারে। মামলাটি বিচার পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় এসে পৌঁছেছে যেখান থেকে হাকিমি কোনো রকমের আইনি রক্ষণাবেক্ষণ পেতে পারেন না।
এই মামলা খুবই সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা যায়। হাকিমি মরক্কো জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং পিএসজি-এর জন্যও তিনি অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। তার ভবিষ্যৎ এই মামলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। আইনগত ও খেলোয়াড়িক দুটো দিক থেকেই এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ।
সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’ এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। মামলাটি যখন আদালতে পড়বে, তখন বিচারকাজের ফলাফল জানানো পর্যন্ত হাকিমির ভবিষ্যৎ অপরিষ্কার থাকবে। এশিয়ান গেমস ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার অবদান বিবেচনায় এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



