শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

লাইফস্টাইল ও জীবনধারা

মালদ্বীপের পর ভ্রমণপিপাসুদের নজরে ইন্দোনেশিয়ার যে নির্জন দ্বীপ

মালদ্বীপের অত্যধিক ভিড় ও উচ্চমূল্য সমৃদ্ধির পর ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য হয়ে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার একটি দুর্গম দ্বীপ, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং স্বচ্ছন্দ্ব ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ এএমসর্বশেষ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৯ এএম
মালদ্বীপের পর ভ্রমণপিপাসুদের নজরে ইন্দোনেশিয়ার যে নির্জন দ্বীপ

মালদ্বীপ দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রের ওপর সাদা বালির দ্বীপগুলির জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে একটি স্বপ্নের গন্তব্য হিসাবে পরিচিত। তবে ক্রমবর্ধমান ভিড় এবং ব্যয়বহুল আবাসন ব্যবস্থা কারণে ভ্রমণপিপাসুদের অনেকেই এখন আরও নির্জন এবং সাশ্রয়ী বিকল্পের সন্ধান করছেন। এই প্রেক্ষাপটে ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় সুলাওেসিতে অবস্থিত টোগেয়ান দ্বীপপুঞ্জ পর্যটকদের কাছে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে, যা অপরিষ্কার সমুদ্র সৈকত, গভীর সবুজ জঙ্গল এবং প্রাচীন মৎসজীবী সংস্কৃতির আবাসস্থল।

টোগেয়ান দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটি দ্বীপই তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বহন করে। সানগেই টালাউদ দ্বীপের সাদা বালির সৈকতটি পানির স্বচ্ছতা এবং প্রাচীরের আকৃতির প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিখ্যাত, যা স্নরকেলিং এবং স্কuba ডাইভিং এর জন্য একটি স্বর্গ তৈরি করে। দ্বীপের অভ্যন্তরীণ অংশে বিস্তৃত ম্যানগ্রোভ বনজাতীয় বন রয়েছে, যা স্থানীয় বন্যপ্রাণী এবং পাখিদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। টোগেয়ান সংস্কৃতির স্পর্শ পাওয়া যায় এখানকার মাছ ধরার নৌকা, ঐতিহ্যবাহী বোনা কাপড় এবং প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরে, যা দ্বীপপুঞ্জের সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক পটভূমি প্রদর্শন করে।

টোগেয়ান দ্বীপপুঞ্জের পর্যটন শিল্পটি সাবধানে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে ছোট আকারের হসপিটালিটি প্রকল্পগুলি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি নিশ্চিত করে যে আয় আংশিকভাবে স্থানীয়দের মধ্যে বিতরণ করা হয়, যা সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পরিবেশগত সংরক্ষণকে উৎসাহিত করে। প্রবাল প্রাচীর এবং জলাভূমির সংরক্ষণে ভলান্টার ট্যুর অপারেটরদের সাথে কাজ করছে, যা নিশ্চিত করে যে দ্বীপপুঞ্জের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

টোগেয়ান দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণের জন্য সেরা সময় হল গ্রীষ্মকালীন মাসগুলি (এপ্রিল থেকে অக্টোবর), যখন সমুদ্র প্রশান্ত এবং বাতাস কম থাকে। দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর জন্য, পর্যটকদেরকে বালিক পাপনগার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ফ্লাইট নিতে হবে এবং তারপর একটি সংক্ষিপ্ত সমুদ্রপথের মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। টোগেয়ান দ্বীপপুঞ্জের প্রাচুর্যের প্রশংসা করার জন্য বোট-বাস্তি বা পরিবেশবান্ধব হাঁটা বিকল্পগুলি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ