। কনট প্লেসের সামনে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বেশ কিছু ছাত্র সংগঠনের সমর্থকেরা হাজির হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভ মোকাবিলায় বিপুলসংখ্যক পুলিশও মোতায়েন রয়েছে সেখানে। বিক্ষোভকারীরা জড়ো হতেই তাদের আটক শুরু করে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাস।
বিক্ষেভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও টানাহেঁচড়া হয়। তাদের অনেককে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।
এদিকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের বলপ্রয়োগ ও ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস। তার অভিযোগ, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চাওয়া নাগরিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
সমাজমাধ্যম এক্সে সৌরভ লেখেন, ‘মোদি-শাহ দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করেছেন এবং নিজেদের দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্টÑজ্ঞানেশ কুমারই এই সরকারের টিকে থাকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন।
তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু আমরা তরুণ প্রজন্ম জবাবদিহির দাবি জানিয়ে যাব। আমাদের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না, আমাদের কণ্ঠও স্তব্ধ করা যাবে না। আমরা পিছু হটছি না। পূর্ণ শক্তি নিয়ে আবার ফিরব!



