বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ এএমসর্বশেষ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ এএম
কুমিল্লায় ঘুসের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভাঙচুর

কুমিল্লা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ফাহিম মুনতাহিম নামে এক সাংবাদিক। এ সময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং লোগো সংবলিত বুম (মাইক্রোফোন) কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে। রাতে ভুক্তভোগী ফাহিম মুনতাহিম (২৩) বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি (মাল্টিমিডিয়া বিভাগ)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি আবু সুফিয়ান ও ফাহিমসহ কয়েকজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে ওই অফিসে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে ভারপ্রাপ্ত রেকর্ড কিপার মেহরাব হোসেন (৪৮) দালাল রহিম (৫৫) ও শাহ আলমের (৬০) মাধ্যমে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুস নিচ্ছিলেন। ফাহিম নিজের মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্য ধারণ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভিডিও ধারণের বিষয়টি টের পেয়ে মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে রহিম, শাহ আলমসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-সাতজন ফাহিমের ওপর হামলা চালান। তারা কাজে বাধা দেন, হাতাহাতি করে ফোন ওসংবাদমাধ্যমের লোগো সংবলিত বুম ছিনিয়ে নেন। ফোন কেড়ে নিতে গিয়ে রহিম ফাহিমের ডান হাতে আঘাত করেন এবং ফোনটি আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাদের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৯৯৯-এ কল করা হলে কোতোয়ালী মডেল থানার টহল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। খবর পেয়ে কুমিল্লার অন্য সাংবাদিকেরাও সেখানে পৌঁছে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেহরাব হোসেন। তিনি বলেন, ‘হামলা-ভাঙচুরের সঙ্গে আমরা জড়িত নই।

ফাহিম মুনতাহিম বলেন, ‘মেহরাব হোসেনের ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি। তারা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। সহকর্মী ও অফিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ