এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নটরডেম কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২২৯ জন শিক্ষার্থী। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ৫টি বোর্ডের কোনোটিতেই আলাদাভাবে এত শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক দিয়ে পাঁচটি বোর্ডকে পৃথকভাবে ছাড়িয়ে গেছে ঢাকার নটরডেম কলেজ।
ফলাফলে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। এরপর কুমিল্লায় ১ হাজার ৩১৩ জন, সিলেটে ১ হাজার ২০৪ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৯৫০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। কারিগরি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কুমিল্লা ও বরিশাল বোর্ডে সম্মিলিতভাবে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২৬৩ জন। এই সংখ্যা এককভাবে নটরডেম কলেজের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর চেয়ে মাত্র ৩৪ জন বেশি।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। এর মধ্যে ৬ দশমিক ২ শতাংশ নটরডেম কলেজের। এছাড়া ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ফল অনুযায়ী, এবার নটরডেম কলেজ থেকে ৩ হাজার ২৫৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। পাস করেছেন ৩ হাজার ২১৮ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশাল অংশই বিজ্ঞান বিভাগের। এ বিভাগ থেকে পাস করা ২ হাজার ৯৭ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ জন।
শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাওয়া জিপিএ-৫ এর এই সংখ্যা পৃথকভাবে কুমিল্লা, সিলেট, বরিশাল ও কারিগরি বোর্ডে জিপিএ-৫-এর চেয়ে বেশি।
তবে নটরডেম কলেজের গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে।
২০২৫ সালে কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৪৫৪ জন। পাসের হারও ৯৯ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে ৯৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ হয়েছে।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে।
গত বছর পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। এবার তা কমে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ হয়েছে। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ২১৯ থেকে কমে ৩৫ হাজার ৯৪৮-এ দাঁড়িয়েছে।



