বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
২০শে কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর কারাদণ্ড

গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর কারাদণ্ড...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৫ পিএমসর্বশেষ: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৫ পিএম
গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর কারাদণ্ড

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাল নথি তৈরি করে এক যুবকের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদী মোছা. নুরহাত জাহান লিজাকে (১৮) সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম গালিব হাসান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুনতাইড় আমবাড়ি গ্রামের হামিদুল হক সরকারের মেয়ে নুরহাত জাহান লিজা ভুয়া জন্ম নিবন্ধন এবং ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে তৌফিক হাসানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানিকালে জন্ম নিবন্ধন, কাবিননামা ভুয়া প্রমাণিত হয়। কাবিননামার ১৫নং কলামে তাৎক্ষণিক দেনমোহর অংকে ২ হাজার টাকা এবং কথায় ২০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কাবিননামায় বিতর্কিত কথা উল্লেখ থাকায় এবং কাজীর স্বাক্ষর না থাকায় দাখিলকৃত সমস্ত প্রমাণাদি ভুয়া প্রমাণিত হয়। ফলে মামলাটি বাতিল করে আসামি তৌফিক হাসান (২১), মো. আনোয়ার হোসেন (৫০) এবং মোছা. টপি বেগমকে (৪৫) বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তাদের সবার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখাল বুরুজ মিয়াপাড়া গ্রামে।

জাল নথি তৈরি করে যৌতুক নিরোধ আইনে প্রতারণামূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে (১৮) সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাদীপক্ষের আইনজীবী ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সহকারী এপিপি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এ ধরনের প্রতারণামূলক মামলা অন্যকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে- এটা বিজ্ঞ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এ ধরনের মামলায় বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট ন্যায়বিচার করেছেন।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ