বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিলেট টেস্টের গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তে।
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। ইতোমধ্যে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রান। চার দিনের খেলা শেষে মনে হচ্ছে; অঘটন না ঘটলে সিলেট টেস্টে ড্র হবে।
তবে বাংলাদেশকে জিতলে হলে রেকর্ড গড়তে হবে। টাইগাররা টেস্টে সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
চতুর্থ দিনে ৩১৫ রানের লিড নিয়েও ইনিংস ঘোষণায় অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে ক্যারিবীয়রা। তারও বেশ কারণ আছে। প্রথম ইনিংসে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের করা ৩৫৬ রানের জবাবে ১৮৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তখন মনে হয়েছিল ২০০ রানের আগেই হয়তো অলআউট হয়ে যাবে টাইগাররা।
কিন্তু সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে ৩৮৬ রানে নিয়ে যান তাওহিদ হৃদয়। তিনি লেজের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে অবিশ্বাস্য লড়াই করেন। তার ২৪২ রানের লড়াকু ইনিংসের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রান করে ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
কাজেই বাংলাদেশকে নিয়ে ক্যারিবীয়দের অনিশ্চয়তায় থাকার বেশ কারণ আছে। ৩১৫ রানের লিড নিয়ে উইন্ডিজ ইনিংস ঘোষণা দিয়ে দিলে কাল শেষ দিনে বাংলাদেশ যদি পুরো দিন তিন সেশনে মিনিমাম ৯০ ওভার ব্যাটিং করতে পারে; এবং ব্যাটসম্যানরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারেন, তাহলে এক দিনে ৯০ ওভারে তিনশ-সাড়ে তিনশ রান করা মোটেও কষ্টের ব্যাপার নয়।
তাইতো অনিশ্চয়তা ক্যারিবীয়দের। তারা হয়তো কাল শেষ দিনের প্রথম সেশনে দ্রুত কিছু রান তুলে বড় লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণায় যাবে। তখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে ড্রয়ের চিন্তা মাথায় রেখে উইকেট কামড়ে থাকতে চাইবে। এর ব্যতিক্রম হলে ঢাকা টেস্টের মতো সিলেটে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করতে হবে টাইগারদের।






