- কালের ধারা প্রতিবেদকঃবাংলাদেশের প্রতিটি নদীতে ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ মাছ আহরন,পরিবহন,মজুদ,বাজারজাত করন,ক্রয়,বিক্রয় ও বিনময় সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান সরকারের পক্ষ থেকে জেলে কার্ড ধারীর জন্য ৩০ কেজি করে চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই মৌসুমে ইলিশ মাছের প্রজননের সময় তাই, এই আইন অমান্য করলে অনাধিক ২ বছর জেল অথবা অনাধিক ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে কঠিন নির্দেশনা প্রদান করেন।
৪ অক্টোবর থেকে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু
ইতালিতে বরিশাল সমিতির আয়োজনে নৈশভোজ ও মতবিনিময়
ইতালিতে বসবাসরত বরিশাল জেলা সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার রাতে পিয়াচালে পেনেস্তিনার সোনার বাংলা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে নবগঠিত কমিটির সভাপতি স্বপন হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস মল্লিকের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা সমিতির সাবেক আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান শিকদার, হেলাল উদ্দিন, এ রব মিন্টু, এড. আনিচুজ্জামান, মো. নাসিম হাওলাদার, আমিনুল ইসলাম বাতেন হাওলাদার, ফিরোজ মোল্লা, খান মামুন সহ আহব্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দগন উপস্থিত ছিলেন ।
গৌরনদীতে জামায়াতের নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন, বরিশাল ১-আসন (গৌরনদী- আগৈলঝাড়া) জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গৌরনদী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ ছোহরাব হোসেন এর নেতৃত্বে আসোকাঠী বাস স্ট্যান্ড ও পার্শবর্তি এলাকায়
এবং বাজারে রোববার দিনভর গণসংযোগে অংশ নেন জামায়াত মনোনীত গৌরনদী- আগৈলঝাড়ার প্রার্থী আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম খান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়াতের আমীর আলহাজ¦ মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ বায়েজিদ শরীফ,
সহকারী সেক্রেটারী মো. রুহুল আমীন সবুজ, আইবিডব্লিু উপজেলা সভাপতি মীর নাসির উদ্দিন,
ওয়ার্ড সেক্রেটারী মো. আমীরুল ইসলাম শরীফ, ৮নং ওয়ার্ড সেক্রেটারী আবদুল ওয়াহিদ মাসুম, সদস্য মো. শাহ্আলম-
সহ জামায়াতের স্থানীয় নেতা কর্মীবৃন্দ। এ সময় প্রার্থী ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় ও আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
তিনি সৎ লোকের শাসন ও আল্লাহর আইন বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহব্বান জানান।
পাকিস্তানের সেনাদের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক নিহত
“ফয়সাল হোসেন (২১) নামে এক বাংলাদেশী যুবক নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এর হয়ে লড়াই করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। ফয়সাল মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছোট দুধখালী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবা ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন এবং তার বড় ভাই আরমান রাজধানীতে একটি অনলাইন ব্যবসার ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফয়সালের হাতে অস্ত্র ধরা ছবি দেখার পর ফয়সালের বড় ভাই আরমান হোসেন এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত ছবিতে আমার ছোট ভাই ফয়সালই।”
পরিবারের মতে, ফয়সাল গত বছরের মার্চ মাসে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, দাবি করেছিলেন যে তিনি দুবাই যাচ্ছেন। যদিও তিনি তার পরিবারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন, শেষবারের মতো তারা ঈদ-উল-আযহার আগে কথা বলেছিলেন। এরপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি এবং পরিবার ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।
এই ঘটনা স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, যা পাকিস্তানে চলমান সংঘাতে তরুণরা যে ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে তা তুলে ধরে। ফয়সালের মৃত্যুর সম্পূর্ণ বিবরণ নিশ্চিত করার জন্য পরিবার কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তা চেয়েছে।
তার হতবাক পরিবার তার মৃতদেহ ফিরিয়ে আনার এবং যারা তাকে চরমপন্থায় টেনে এনেছিল তাদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করছে, কারণ তিনি গত বছরে টিটিপির হয়ে লড়াই করে মারা যাওয়া চতুর্থ বাংলাদেশী হয়ে উঠেছেন”।
সূত্র:সামাজিক মাধ্যম ও মিডিয়া
সাংবাদিককে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি! বিএমএসএফ’র প্রতিবাদ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকির প্রতিবাদ
ঢাকা, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রী: সম্প্রতি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় “অস্তিত্বহীন প্রকল্পের নামে ইউএনওর লুটপাট” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের জেরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য, দৈনিক আমার দেশ ও নাগরিক টিভির চরফ্যাশন প্রতিনিধিকে চাঞ্চল্যকর ছাত্রদল সভাপতি আ: রাজ্জাক হত্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়েছে চরফ্যাশন আদালতের এপিপি হযরত আলী হিরন। যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। একই সাথে বিভিন্ন পক্ষ থেকে সাংবাদিক লোকমানকে অব্যাহত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একই উপজেলায় স্বামী জজ এবং স্ত্রী ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আছেন সাংবাদিক লোকমান।
উল্লেখ্য, সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে হত্যাকান্ডের শিকার শহীদ আ: রাজ্জাকের ছোটভাই আব্দুর রহমান সোস্যাল মিডিয়ায় এক বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত আসামীদের আড়াল করতেই সাংবাদিক লোকমান হোসেনকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। যা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রের অংশ।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেন, একজন পেশাদার সাংবাদিককে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর প্রকাশ্য হুমকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। হুমকির ঘটনাটি ওপেন হয়ে গেছে সাংবাদিকের কপাল ভালো। নয়তো হুমকিদাতা নয়ছয় করতে পারতো। এ ধরনের বিতর্কিত এবং নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত হুমকিদাতা এপিপি হযরত আলীর নিয়োগ বাতিলের দাবি করে হুমকির তদন্ত দাবি করছি।
একইসঙ্গে সাংবাদিক লোকমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি করছি।
“মব সন্ত্রাসের শিকার সাংবাদিক আহাদ”
ঢাকা, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রী:
এবার মব সন্ত্রাসীর কবলে সিলেটের গোলাপগঞ্জের সাং
বাদিক আব্দুল আহাদ। তিনি দীর্ঘদিনের সাংবাদিক। মব সৃষ্টি করে তাকে ডেভিল বলে দীর্ঘ রাস্তা দৌড়ে পালাতে বাধ্য করেছে। পরে উপায়ান্তর না পেয়ে খাল সাতরিয়ে প্রাণে বেঁচে আছেন। এই যদি হয় সমাজের মানুষের দ্বারা গণমাধ্যম ও সাংবাদিক নিপীড়নের চিত্র তাহলে সাংবাদিকরা কোথায় যাবেন? বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনৈতিক দল এবং গণমানুষের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে পেশাদারিত্বের সাথে সাংবাদিকতা করা একজন গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে সু-সম্পর্ক থাকা অপরাধের কিছু নয়। আহাদও তাই করেছেন। এ জন্য কিভাবে তিনি ডেভিল হলেন?
সন্ত্রাসী যে ছেলেটা মব সৃষ্টি করেছে তার নাম কাওসার। সে আব্দুল আহাদকে পুলিশের ভয় দেখিয়ে অনেক জায়গা দৌড়ে নিয়ে গেছে। তাকে নিয়ে নানা কটুক্তি করেছে পাশাপাশি ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে মব সৃষ্টিকারী তার প্রমাণ নিজেই দিয়েছে!
মব সন্ত্রাসীর পশুতুল্য আক্রমণে আহাদের এমন অবস্থা হয়েছিল সে দৌড়ে গিয়ে ধান ক্ষেত কিংবা পানিতে আশ্রয় নিতে চাইলেও পুলিশ তার চারিদিক ঘিরে ফেলেছে এই ভয় দেখিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আহত এবং লাঞ্ছিত করে।
ছবিটি মব সন্ত্রাসের শিকার সংবাদকর্মী আহাদের। তার অসহায়ত্বের ভিডিওগুলো প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিবে। আহাদের অসহায়ত্ব যারা দেখেছেন তারা কি কেউ মব সৃষ্টিকারির পক্ষে যাবেন?
আইন কারো হাতে তুলে নেয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্র কাউকে দেয় নাই।
কে এই কাওসার? তাকে এই সাহস কে যুগিয়েছে? তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।
আমরা আশা করছি, পুলিশ কাওসারের পরিচয় নিশ্চিত করে একজন সিনিয়র সাংবাদিককে কার স্বার্থে এ ধরনের হেনস্তার ভিডিও প্রচার করে সম্মানহানি ঘটালো তা বের করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।
দুই ইউএনও বদলীর নেপথ্যে পিআইও সালাউদ্দিনের প্রভাব!
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
গৌরনদী উপজেলায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও হুমকি-ধমকির অভিযোগে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সালাউদ্দিন ফের আলোচনায়। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে দুইজন সৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বদলির নেপথ্যে তারই হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইউএনওকে প্রকাশ্যে হুমকি
নির্বাহী অফিস সুত্রে জানা গেছে, সদ্য বদলি হওয়া ইউএনও রিফাত আরা মৌরী মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের খোঁজ নিতে চাইলে সালাউদ্দিন প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন—
“বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনিও গৌরনদীতে থাকতে পারবেন না। আমি থাকব, না হলে আপনি থাকবেন।”
এর আগে সাবেক ইউএনও আবু আব্দুল্লাহ খান দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় তাকেও বদলি করা হয়েছিল। ফলে প্রশ্ন উঠছে—রবিবার যোগদান করতে যাওয়া নতুন ইউএনও-ও কি একই পরিণতির শিকার হবেন, নাকি দুর্নীতিবাজ চক্রের সঙ্গে সমঝোতায় যাবেন?
জানা গেছে মুক্তিযোদ্ধা ঘর প্রকল্পে অনিয়ম
৯৮টি ঘরের জন্য অনুমোদিত হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কাজের বণ্টন করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব ও কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে।
কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—
মেসার্স এম এন্টারপ্রাইজ, নেয়ামুল এন্টারপ্রাইজ, আছিয়া এন্টারপ্রাইজ, এন ডি এন্টারপ্রাইজ, বনলতা, জায়ান বিল্ডার্স, মির্জা ট্রেডিং, তালুকদার, ইসলাম এন্টারপ্রাইজ এবং উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক রুবেল গোমস্তাসহ আরও কয়েকজন প্রভাবশালী।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগপন্থী ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৩% কমিশনে কাজ নিয়ে তা পরে ১২% দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে কাজ শুরুর আগেই উন্নয়নের টাকা ভাগ হয়ে যাচ্ছে।
কমিশন সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ
অভিযোগ রয়েছে, সালাউদ্দিনের প্রকল্পগুলো কার্যত নিয়ন্ত্রণ করেন দুর্নীতির দায়ে দৈনিক প্রথম আলো থেকে চাকরিচ্যুত সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম জহির।
একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন— “যেখানে কাজ শুরু হওয়ার আগেই কমিশন ভাগ হয়ে যায়, সেখানে ঘরের মান কেমন হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।”
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ— “সংগ্রামের সময়ে আমরা পাশে ছিলাম, অথচ এখন কাজের ভাগ উপজেলা নেতাদের দখলে। আমাদের কিছুই দেওয়া হয় না।”
ইউএনওর সঙ্গে দ্বন্দ্ব
২০২৫ অর্থবছরের কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের তথ্য ইউএনও রিফাত আরা মৌরী অফিসিয়াল পেজে প্রকাশ করলে সাধারণ মানুষ আবেদন করার সুযোগ পান। এতে সালাউদ্দিন ক্ষুব্ধ হন। কারণ, আগে তিনি গোপনে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাছে কাজ বণ্টন করতেন।
সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির কারখানা
স্থানীয় অভিযোগ অনুযায়ী—
প্রতিটি প্রকল্পে সালাউদ্দিন কমিশন ঠিক করে দেন।
অনেক কাজ কাগজে-কলমে শেষ দেখালেও বাস্তবে হয়নি।
কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও সাধারণ মানুষ কোনো সুফল পাচ্ছে না।
ঢাকায় প্রশিক্ষণের নামে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত ব্যবসা সামলান।
সালাউদ্দিনের প্রতিক্রিয়া
সব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি একগাল হেসে উড়িয়ে দেন।
এলাকাবাসীর দাবি
গৌরনদীবাসীর প্রশ্ন—“যদি সৎ ইউএনওরাও কাজ করতে না পারেন, তবে কি দুর্নীতিবাজরাই টিকে থাকবে?”
তাদের একমাত্র
গৌরনদীর নব্য গডফাদার বিএনপি নেতা মুকুল খান?
নতুন গডফাদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান মুকুল ওরফে ভিপি মুকুল খান।
স্থানীয় নেতা কর্মি সুত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে তার ক্ষমতার প্রভাব এতটাই বেড়ে যায় যে তিনি একের পর এক দখলবাজি শুরু করেন। ডিস অফিস, বিড়ির কারখানা, সমবায় বেকারি, বাজার কমিটি, মসজিদ কমিটি এমনকি খাল দখল করে অফিসের নামে টর্চার সেল তৈরি করেন। মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন নেন মুকুল খান !
দক্ষিনাঞ্চলের মাদক সম্রাট হিরা মাঝি ও মানিক মাঝির কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ ও বেশ কয়েকটি মটরসাইকেল নেয়ার গুঞ্জন ওঠে তার বিরুদ্ধে । হিরা মাঝি, মানিক মাঝির পক্ষ নিয়ে কটকস্থলে মেসার্স আরিফ ফিলিং স্টেশন দখলের জন্য মালিক ও ব্যবস্থাপকের কাছে ফোনে হুমকি দেন। নেপথ্যে থেকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে দুইবার ফিলিং স্টেশনে মব সৃষ্টি করে সেটি বন্ধ করে দেন গুঞ্জণ ওঠে । দলের ও নিজের প্রভাব খাটিয়ে থানার ওসি দারোগাদের তার কথামতো কাজ করান !! এভাবেই নিজেকে গৌরনদীর নতুন গডফাদার হিসেবে প্রকাশ্যে পরিচয় পেতে শুরু করেছেন।
দ: পালরদী খালপাড়ে নিজের বাড়ির সামনে খাল দখল করে একটি আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে প্রথমে মুরগির ফার্ম চালু করেন। বর্তমানে সেই দখলকৃত ঘরটি বিএনপির অফিস ও টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করছেন। এখান থেকেই তিনি দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অসৎ কর্মকাণ্ডের ফন্দি আঁটছেন।
এতসব কর্মকাণ্ডের পরও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বরিশাল জেলা উত্তরের সদস্য সচিব পদে বহাল রয়েছেন তিনি।

সুত্র জানায়, মুকুল খানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভির বরিশাল ব্যুরো প্রধান আকতার ফারুক শাহিন যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশ করলে, মুকুল খান তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করান। সাংবাদিকরা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।
সূত্রে আরও জানা যায়, মুকুল খান তার লোক দিয়ে আরিফ ফিলিং স্টেশনের মালিক হারুন অর রশিদ বেপারীকে ফোনে কাগজপত্র নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। হারুন বিষয়টি তার মেয়ে ও স্টেশনের পরিচালক পপিকে জানান। পরে পপি মুকুল খানকে ফোন করলে তিনি স্পষ্ট হুমকি দিয়ে বলেন—কাগজপত্রসহ দেখা না করলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরিফ ফিলিং স্টেশন তালা মেরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। পপি এই ফোনালাপের রেকর্ড সংরক্ষণ করেন, যা পরে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনার পর সাংবাদিক তুহিনকে হুমকি দেওয়া হয় এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে খুঁজে বের করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার জন্য।
এ বিষয়ে মুকুল খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
বি:দ্র: নিজ দলের লোকদের বানানো ছবি , ফেসবুক থেকে সংগ্রহ





