কুড়িগ্রামর বিতর্কিত ডিসি
সাংবাদিক নির্যাতনকারি সুলতানা অবশেষে বরখাস্ত হলেন ।
তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ।
বর্তমানে ডিসি সুলতানা জেলখানায় রয়েছেন ।
কুড়িগ্রামর বিতর্কিত ডিসি
সাংবাদিক নির্যাতনকারি সুলতানা অবশেষে বরখাস্ত হলেন ।
তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ।
বর্তমানে ডিসি সুলতানা জেলখানায় রয়েছেন ।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর যুগ্মসচিব ও মহাপরিচালক কাজী মোহাম্মদ হাসানের বিরুদ্ধে সীমাহীন চুরি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
দুদকের একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ সুবিধাভোগী হিসেবে তিনি বারবার পদোন্নতি পেয়েছেন। এমনকি রাজউকের ভূমি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশ ফিনানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, তার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। বিদেশের কয়েকটি দেশে টাকা পাচারের প্রমাণও পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।
পরিবারের সদস্যদের নামে খোলা অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নাম-পরিচয় গোপন রেখে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার পাশাপাশি নিজের ভাইয়ের অ্যাকাউন্টেও ঘুষের টাকা গ্রহণ করেন তিনি।
ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিপুল সম্পদ রয়েছে। রাজউকের প্লটও জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করেছেন বলে অভিযোগ আছে। তবুও এই দুর্নীতিবাজ আমলার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ছবিতে দেখা বিশাল অট্টালিকার মালিকও তিনি। শুধু এটিই নয়—এমন আরও অন্তত আধা ডজন বাড়ির মালিক কাজী হাসান।
হ
তথ্যসূত্র ও ছবি : জাওয়াদ নির্ঝর এর ওয়াল থেকে
ভবিষ্যৎ মোবাইল সাংবাদিকতা: মোবাইল জার্নালিজম শুধু একটি ধারা হিসেবেই থাকবে না, বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর প্রধান মাধ্যম হবে।
সহজলভ্যতা ও সহজ ব্যবহার: স্মার্টফোন এখন সবার হাতে, যা সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজনীয় টুলসকে সহজলভ্য করেছে।
দ্রুত প্রতিবেদন:মোবাইল ব্যবহার করে যেকোনো জায়গা থেকে তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সম্পাদনা করা এবং মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব: ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এখন তথ্যের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম, মোজো সাংবাদিকরা সহজেই দর্শক ও পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারে।
মূলধারার গণমাধ্যমের পরিবর্তন: টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এখন ডিজিটাল ইউনিট গড়ে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের আলাদা নিউজ সেগমেন্ট প্রকাশ করছে, যা মোজোর প্রভাবকেই নির্দেশ করে।
খরচ সাশ্রয়ী: প্রথাগত অনেক সরঞ্জামের চেয়ে মোবাইল ও অন্যান্য ছোট ডিভাইসের মাধ্যমে সাংবাদিকতার কাজ করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বড় দুলালী গ্রামে বাল্যবিবাহ রোধে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, ১৬ বছরের কন্যার বয়স ১৯ বছর দেখিয়ে পাশ্ববর্তী উপজেলার একটি ইউনিয়ন থেকে জাল জন্মসনদ প্রদর্শন করা হয়। তবে মেয়েটির বয়স নিয়ে সন্দেহ হলে তার বিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত নথি এবং বার্থী ইউনিয়নের জন্মসনদ যাচাই করা হয়। এতে অপ্রাপ্তবয়স নিশ্চিত হওয়ায় বাল্যবিবাহ প্রমাণিত হয়।
ঘটনাস্থলে মেয়ের বাবা ও বরপক্ষ স্বীকারোক্তি দিলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় উভয়কে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে সম্পন্ন করবে না মর্মে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, ইউপি সচিব ও গ্রাম পুলিশকে অর্পণ করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা সহকারি কমিশনার ভুমি মো: মেহেদী হাসান তার টিম, গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুয়া জন্মসনদ প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে গৌরনদী থানা পুলিশ ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সহযোগিতা করে।
জনস্বার্থে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
আলেয়াকে বিয়ে করার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় আমি রওনা হই বাহরাইনের উদ্দেশ্যে। সেখানে পৌঁছানোর কিছুদিন পরই শুনতে পেলাম, আলেয়া তার আগের প্রেমিকের সঙ্গে চলে গেছে।
আলেয়াকে আমার মা-বাবা নিজেরাই পছন্দ করেছিলেন। বিয়েটা হয়েছিল পুরোপুরি পারিবারিকভাবে। কিন্তু আমি তাকে সত্যিকার অর্থেই মন থেকে ভালোবেসেছিলাম। জীবনে প্রথম কোনো নারীকে ভালোবাসা—আর সে-ই ছিল আমার আলেয়া। তাই তার চলে যাওয়া আমাকে ভীষণভাবে ভেঙে দিয়েছিল। সেই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে দীর্ঘ ২২ বছর আর দেশে ফিরে যাইনি।
কিন্তু একসময় মেডিক্যালে ‘আনফিট’ হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হয়। দেশে ফিরে দেখি, আমার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অর্জিত প্রতিটি টাকাই মা-বোন-ভাইয়েরা শেষ করে ফেলেছে। চার মাস বাড়িতে ছিলাম, কিন্তু তাদের ব্যবহার ও ভেতরের কষ্ট আমাকে রাগান্বিত করে তোলে। একদিন মাত্র একটি কাপড় পরে ঘর থেকে বেরিয়ে যাই।
আজ সাড়ে পাঁচ বছর হয়ে গেল সেই ঘর ছাড়ার। তারপর থেকে মাজারেই কাটছে আমার জীবন। শুধু দুই বেলা ভাতের আশায় মাজারে থাকি। এখন যাচ্ছি চট্টগ্রামের আমানত শাহ মাজারে। শুনেছি, সেখানে নাকি খাবারের ব্যবস্থা হয়।
চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থেকে হেঁটে হেঁটে ২১ দিনে পৌঁছেছি কুমিল্লা স্টেশনে। সেখান থেকে যাত্রা চট্টগ্রামের পথে। জীবনের কাছে আর কোনো চাওয়া নেই আমার—শুধু দুই বেলা ভাত খেতে পারলেই আমি সুখী।
চোখের পানি মুছতে মুছতে কথাগুলো বলছিলেন কাশেম আলী।
বৈ-ষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আব্দুর রহিমকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ৪৯ সেকেন্ডের একটি আ-পত্তিকর ভিডিও ফাঁ-স হওয়ার পর জেলাজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম জেলা এনসিপির কার্যকরী সদস্য। তিনি বৈ-ষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
ভিডিওতে রহিমকে এক নারীর সঙ্গে অ-ন্তরঙ্গ অবস্থায় স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে দেখা যায়। এই ঘটনার বিষয় রহিম প্রথমে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ভিডিওতে যাকে দেখা গেছে তিনি তার স্ত্রী।
গণমাধ্যম কর্মীরা রেস্টুরেন্টে থাকা ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করার পর ওই না-রী তার স্ত্রী নয় বলে স্বীকার করেছেন রহিম। এসময় তিনি সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধও জানান।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভিডিওতে থাকা না-রী রহিমের স্ত্রী নন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে নানান আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। জেলা শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আব্দুর রহিমের এমন কর্ম-কাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরে মাদারীপুর জেলা কমিটির সদস্যরা মৌখিকভাবে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিষয়টি জানিয়েছে। তারা কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়নি।
এই বিষয় বৈ-ষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাদারীপুর জেলা শাখার সাবেক সদস্য সচিব মাসুব বিল্লাহ বলেন, আমরা এই ঘটনায় বিচলিত। একদিকে যেমন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা জনসম্মুখে প্রকাশের এই প্র-বণতা হতাশাজনক। তেমনি কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে এমন অসামাজিক কার্যকলাপও কাম্য নয়।
তবে এ বিষয়ে এনসিপির মাদারীপুর জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক শহিদুল ইসলামসহ একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
https://t.me/JawadNirjhor/4201
২০২০ সালের ১৩ মার্চ…..
কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগানের ঘরে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রশাসন। দায়িত্ব শেষ হয়নি সেখানেই—চোখ বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া, মৃত্যুভয়ের ক্রসফায়ারের হুমকি দেয়া….সব ষড়যন্ত্র চলে তার বিরুদ্ধে। কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানার নির্দেশে নির্যাতনের নীলনকশায় যুক্ত হয় আরও কয়েকজন। সাজানো হয় মিথ্যার মঞ্চ—আধা বোতল মদ আর দেড়শ গ্রাম গাঁজা দেখিয়ে তৈরি করা হয় নাটক নয় যেন এক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। রাতের আঁধারেই আদালত বসিয়ে দেওয়া হয় এক বছরের সাজা।

এখানেই শেষ হয়নি রিগানের কাহিনি। মুক্তির পর শুরু হয় অন্য এক লড়াই—ন্যায়ের লড়াই, সত্যের লড়াই। জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে তিনি দাঁড় করান মামলা, অবিচারের দেয়ালে আঘাত করেন সাহসের হাতুড়ি দিয়ে।
আজ আদালত বলেছে—অন্যায় কোনো মুখোশ পরে টিকে থাকতে পারে না। সাবেক ডিসি সুলতানার জামিন আবেদন খারিজ হয়ে গেছে, তাঁর গন্তব্য কারাগার।
সত্যের পতাকা উঁচিয়ে ধরা সেই সাংবাদিক রিগানকে জানাই কৃতজ্ঞতা। ধন্যবাদ কুড়িগ্রামের আদালতকে, যারা দেখালেন—অন্ধকার যত গভীরই হোক, আলোর জয় একদিন হবেই।
ছবি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নেয়া।
টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মো. উমেদ আলী নামের এক মাদকসেবীকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের চলতি দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার প্রশাসক মো. রাজিব হোসেন এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত উমেদ আলীর বাবার নাম মৃত হাফেজ উদ্দিন। তিনি ফলদা ইউনিয়নের আগতিরিল্যা গ্রামের বাসিন্দা এবং ডাকঘর ধুবলিয়া এলাকার অন্তর্ভুক্ত।