Home Blog Page 52

সাংবাদিক নির্যাতনকারী ডিসি সুলতানা কারাগা‌রে

সাংবাদিক নির্যাতনকারী কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানা গ্রেফতার । কারাগা‌রে পাঠানোর নির্দেশ

ফ‌্যা‌সিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতাকালী এই কু‌ড়িগ্রা‌মের ডি‌সি ছি‌লেন সুলতানা । ক্ষমতার অপব‌্যবহার দুর্নী‌তির অ‌ভি‌যোগ সিমাহীন ।

ডি‌সি সুলতানা ছি‌লেন ক‌ঠিন ক্ষমতাধর ! নি‌জে‌কে ও নি‌জের রুপ যৌবন‌কে কা‌জে লাগিয়ে এম‌পি ম‌ন্ত্রি নেতা‌দের থে‌কে সু‌যোগ সু‌বিধা নেয়ার অ‌ভি‌যোগ ও‌ঠে‌ছে বারবার ।

সাংবা‌দিক ডি‌সির কা‌ছে তথ‌্য চাইতে গে‌লে আট‌কি‌য়ে মারধর করা নির্যাতন করা ও জে‌লে দেয়ার ঘটনাও ঘটার তি‌নি ।

‌বিএন‌পির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী‌তে ব‌রিশা‌লে বৃক্ষ‌রোপন

0

বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল নগরীতে কাঞ্চন পার্কে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়।

বৃক্ষ‌রোপন ক‌রেন বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কে‌ন্দ্রিয় নির্বাহী ক‌মি‌টির অন‌্যতম সদস‌্য ও ব‌রিশাল ৫ আসন থে‌কে বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় ম‌নোনয়ন প্রত‌্যাশী আবু না‌সের মো: রহমাতুল্লা ।

এসময় ব‌রিশাল জেলা ও মহানগর বিএন‌পির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছি‌লেন ।

ফয়সাল খান আর নেই

আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ব‌রিশা‌লের কৃ‌তি সন্তান অধ‌্যাপক ফয়সাল খান আর নেই

বরিশাল জিলা স্কুল, বরিশাল ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র এবং কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশীপ পাওয় তু‌খোর ছাত্র ‌ছি‌লেন তি‌নি ।

তি‌নি কানাডায় শিক্ষা জীবন শেষ করে আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন ফয়সাল খান। আজ রাত ১টা ৩০ মিনিটে তিনি আমেরিকার ডালাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না‌লিল্লা‌হে ওয়াইন্না ইলাইহে রা‌জেউন ।

ফয়সাল খান ছিলেন একেবারেই সহজ-সরল, অহংকারী একজন মানুষ।

ফয়সাল খা‌নের বাবা পলিটেকনিক রোডের নিবাসী আলমগীর হোসেন খান আলো।

‌তি‌নি ছিলেন একজন দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক এবং বরিশাল পৌরসভার সাবেক কমিশনার প‌্যা‌নেল ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র ।

ব‌রিশা‌লে পিকআপ দুর্ঘটনা ড্রাইভার আহত

0

মর্মা‌ন্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপ চালক গুরতর আহত । ঢাকা ব‌রিশাল মহাসড়‌কের গৌরনদী উপ‌জেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় সকাল ৬টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘ‌টে ।

গৌরনদী ফায়ার সা‌র্ভিস স্টেশন অ‌ফিসার বিপুল হো‌সেন জানান, ঢাকা থেকে আসা একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছে ধাক্কা খায়। এতে চালক গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে যান। খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন।
আহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ হৃদয় (২৫), তিনি নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা।

ইতালীর ত‌রি‌নো‌তে বিএন‌পির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী পালন

0

বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএন‌পির ইতা‌লির ত‌রি‌নো শাখার আয়োজ‌নে দ‌লের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী উপল‌ক্ষে কেক কাটা, দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। ১ লা সে‌প্টেম্বর সন্ধায় ত‌রি‌নোর ইমি‌লিয়া বাংলা হো‌টেল মেজবান বি‌রিয়ানি হাউস র সাম‌নে ত‌রি‌নো বিএন‌পির সদ‌্য বিলুপ্ত ক‌মি‌টির সা‌বেক সি‌নিয়র সহ সভাপ‌তি এড‌ভো‌কেট আরিফুর রহমা‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে অনু‌ষ্ঠিত হয় ।
দ‌লের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমা‌নের রু‌হের মাগ‌ফিরাত কামনা ক‌রে কোরআন তেলাওয়া‌তের মধ‌্য দি‌য়ে শুরু হয়। দোয়া ও মোনাজাত প‌রিচালনা ক‌রেন কা‌রি মৌলভী কামাল উদ্দিন।

ত‌রি‌নো শাখা বিএন‌পির সাবেক সি‌নিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোহাম্মাদ মোশারফ হো‌সেন র সঞ্চালনায়
প্রধান অতি‌থি ছি‌লেন ইতা‌লি বিএন‌পির সা‌বেক সহ-সাধারন সম্পাদক, মোহনগঞ্জ সরকা‌রি ডিগ্রী ক‌লে‌জের সা‌বেক জিএস, সা‌বেক ছাত্র নেতা মো: কামরুল হাসান।

প্রধান বক্তা হিসা‌বে বক্তব‌্য রা‌খেন ত‌রি‌নো বিএন‌পির সা‌বেক সহ-সভাপ‌তি শামীমুল হুদা ।
বি‌শেষ অ‌তি‌থি হিসা‌বে বক্তব‌্য রা‌খেন সাবেক সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন ক‌বির,ধর্ম বিষয়ক সা‌বেক সম্পাদক কারী মৌলভী কামাল উদ্দিন, সা‌বেক সহ সম্পাদক মুন্না চৌধুরী, সা‌বেক সহ সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আতাউর সরকার
সা‌বেক নির্বাহী সদস‌্য মামুন ঢালী, র‌বিউল ইসলাম,

সেচ্ছা‌সেবকদ‌লের সা‌বেক আহব্বায়ক না‌সির জমাদ্দার,সা‌বেক সিনিয়র যুগ্ন আহব্বায়ক নুরু হো‌সেন,সা‌বেক সহ সাংগঠ‌নিক সম্পাদক তপন মিয়া, সা‌বেক যুগ্ন আহব্বায়ক ইমন হো‌সেন প্রমূখ । অনুষ্ঠান শে‌ষে উপ‌স্থিত বিএন‌পি নেতা কর্মিদের মা‌ঝে খাবার প‌রি‌বেশন করা হয় ।

সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় বিএফইউজে-ডিইউজের নিন্দা ও প্রতিবাদ

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর একের পর এক হামলা এবং খুলনায় একজন সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী এবং ডিইউজে সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম বলেন—
“আমরা গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর বারবার হামলা চালানো হচ্ছে। এরই মধ্যে গতকাল খুলনায় সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান বুলুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এসব হামলা ও হত্যাকাণ্ড মুক্ত সাংবাদিকতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন আঘাত।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন—
“মুক্ত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে কোনো অপতৎপরতা অতীতেও সফল হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচারী শক্তি সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে পারবে না। সাংবাদিক সমাজ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ও অটল।”

তারা সতর্ক করে বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ভয়াবহভাবে হুমকির মুখে পড়বে, যা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকেও গভীর সংকটে ফেলবে।

পটভূমি:
গতকাল রবিবার খুলনায় সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান বুলু হত্যার আগে ২৭ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশের নির্যাতনে আহত হন বাংলা ভিশনের কেফায়েত শাকিল, দ্য নিউ নেশনের নোমান মোশাররফ ও সৈয়দ শিমুল পারভেজ, সপ্তমী মণ্ডল ঋতু এবং খোলা বাজারের রোজিনা বেগম।

এছাড়া ২৯ আগস্ট কাকরাইলে জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর নাইমুর রহমান দুর্জয়। পরদিন ৩০ আগস্ট মতিঝিলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন ডিবিসির রেদওয়ানুল হক এবং দৈনিক কালবেলা-র এ. জেড. ভূঁইয়া আনাস।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বহিষ্কার

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।এতে বলা হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য গঠনতন্ত্রের বিধান মোতাবেক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নুরু‌কে নি‌য়ে আরও একবার লি‌খি – – আসিফ সোহা‌ন

0

আরো একবার লিখি নুর কে নিয়ে।
তার আগে প্রথমেই নূরের শারীরিক সুস্থতা কামনা করছি এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

কিছু প্রশ্ন কিছু কথা মনে উঁকিঝুঁকি মারছে। উত্তর কিছুটা আমার কাছে আছে, কিছুটা আপনাদের কাছ থেকে চাইছি।

নুরুল হক নুরের উপর হামলার নিন্দা সকলেই জানাচ্ছেন। এটাকে আরও সহজ করেছে সরকারের নিন্দা। যেহেতু সরকারও জানিয়েছে তার উপদেষ্টাদের দ্বারা। তাই যারা মেরেছে তারাও জানাবে নিশ্চয়ই।

এসবের বাইরে আসুন একটু রাজনৈতিক বিশ্লেষনে আসি।

১. নুর কেন জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ করার আইনি পন্থা বাদ দিয়ে পার্টি অফিস ঘেরাওয়ের মব সুলভ অ্যাকশনে নামলেন? তিনি কি বোঝেনি এটা নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত?

২. তিনি কি কারো হয়ে প্রক্সি আন্দোলন করতে গিয়েছিলেন? তিনি কি জানতেন যে তাকে অল্প স্বল্প দু একটা বাড়ি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে?

মারতে গিয়ে কি মাত্রা ঠিক রাখতে পারে নাই আয়োজকরা?

৩. এধরনের প্রশ্নগুলো শুনতে এই মুহূর্তে অনেকের খারাপ লাগছে নিশ্চয়ই। আমাকে কমেন্টস অনেকে অনেক কত কথা বলবেন জানি। কিন্তু বিশ্বাস করেন ভাই রাজনীতির নোংরা কালো অধ্যায়গুলো যদি খোলামেলা চোখে আপনারা কাছ থেকে দেখতেন, এই প্রশ্নগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হতো আপনাদের কাছে।
সত্যি বলছি রাজনীতির খেলায় সবচেয়ে কুৎসিত কাজটাই করে এভাবে, যদি কাজ উদ্ধার হয় তাইলে।

৪. নুরের এই হঠাৎ জাতীয় পার্টির অফিস ঘেরাও কেন? এই কাজের কী ফলাফল হতে পারে নির্বাচনী রাজনীতিতে, তার খোলামেলা আলোচনা ওঠা দরকার টিভি টকশো এবং সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতেও।

বাহিনীগুলি যেহেতু এখনও সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে এক রকমের সীমিত ক্ষমতা নিয়ে আছে নানা কারণেই, তাদের দিয়ে আরো নানা কাজ করাতে পারবে মবপ্রিয় দলগুলি, এবং তাদের বসেরা।

নুরকে মারার ব্যাপারে সরকারি ভাবে কার্যকর কিছু না করে। প্রধান উপদেষ্টার যেভাবে নরম প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে দেখলাম তাতে আমি শঙ্কিত।
তবে এটুকুর এইসময়ে দরকার আছে। রাষ্ট্রপতিও টেলিফোন করে নূরের সাথে কথা বলেছে খোঁজখবর নিয়েছে।

নূর সাহসী, কথা বলতে জানে, সব সময় নিপীড়িত-নির্যাতিত হয়েছে।
তবে নুরের বর্তমান রাজনীতি ও কাদের সাথে তার যোগসাজশ হয়েছে সেটি নিয়েও প্রশ্ন জারি রাখাও জরুরি।
হ্যাঁ নূর বিএনপি সম্পর্কে বিএনপি’র নেতাদের সম্পর্কে অন্যান্য ইউটিউবারদের ভারতের দালাল বলার প্রতিবাদ করেছে, কয়েকটি কর্পোরেট মাফিয়াকে নিয়ে কথা বলেছে ক্ষুব্ধ ভাবে। তারপরেই তার উপর হয়েছে হামলা।
তবে নুরকে মোহড়া বানিয়ে এসবই যে সাজানো গোছানো মঞ্চায়ন নয় সেটি নিয়েও প্রশ্নের অবকাশ আছে, নাকি নাই?

রাজনীতিতে এসব বলাও একটি কৌশল। এগুলো আমরা জানি এগুলো আমরা দেখেছি এবং দেখছি।
কাজেই সবকিছু এত সহজ করে দেখার সুযোগ অন্তত এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেই।
৩১/৮/২০২৫

আগা মাথা কিছুই বুঝলাম না_ _ সাংবা‌দিক হেলা‌ল উদ্দিন

0

আগা মাথা কিছুই বুঝলাম না। সরকারের নির্দেশ ছাড়া পুলিশ-সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী মোতায়েন হতে পারে? কোনো কাজ করতে পারে?

গতকাল জাতীয় পার্টি অফিস রক্ষায় যৌথবাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দাতা কে? পুলিশ কার নির্দেশে কাজ করেছে?

সরকারের এই বিবৃতি স্ববিরোধী। প্রমাণ করে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। কিভাবে তা সম্ভব?

গতকালকের হামলা পাল্টা হামলা দমনে যৌথ বাহিনীর অভিযানের দায় সরকার এড়াচ্ছে কিভাবে? সরকারের কার্যক্রমে সরকার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে? অদ্ভুত দেশে বাস করছি আমরা।

#এই #আমরা #না

দলকে ভাঙার জন্য অসংখ্য ষড়যন্ত্র হয়েছে _ _ ম‌নিরুজ্জামান

0

লেখা :
ম‌নির উজ জামান ম‌নির : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত আমাদের প্রিয় দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের শাহাদাতের পর থেকে এই দলকে ভাঙার জন্য অসংখ্য ষড়যন্ত্র হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার নানা চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেনি।

ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় জিয়াউর রহমানের পরিবারকে বাদ দিয়ে বিএনপির ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে, আর আজকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানকে হত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করা হয়েছে—তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। শহীদ জিয়ার আরেক সন্তান আরাফাত রহমান কোকো সাহেবও অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছেন। জাতি এই সব ঘটনা কোনোদিন ভুলে যায়নি।

সর্বশেষ শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত মইনুল রোডের বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দক্ষিণ এশিয়ার “ম্যান্ডেলা” খ্যাত প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলের অন্তরালে বন্দি রেখে কার্যত একটি জীবন্ত লাশে পরিণত করা হয়েছে।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ছিল একটি সাজানো নাটক। আমরা দেখেছি দেশের মানুষ সেদিন রাস্তায় নেমেছিল খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাদের লোকদের ধানের শীষের প্রতীক ব্যবহার করিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিল। বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নীলনকশা অনুযায়ী ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এরপর ১/১১ চক্র এবং আওয়ামী লীগ মিলে বিএনপিকে ধ্বংসের নতুন খেলা শুরু করে, শেখ হাসিনার ক্ষমতাকে সুসংহত করে। কিন্তু জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রামে, অগণিত ত্যাগের বিনিময়ে, অবশেষে ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতন ঘটে। যদিও তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়, তার চেলারা এখনও দেশে রয়ে গেছে। দেশের অর্থ লুণ্ঠনকারী এস. আলম গ্রুপ শেখ হাসিনাকে বিদেশে পালিয়ে যেতে হাজার হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করেছে। এখন সেই টাকার একটি বড় অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে যেন তারেক রহমান দেশে ফিরতে না পারেন এবং আগামী নির্বাচন আবারও প্রহসনে পরিণত হয়।

বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মিজানের সঙ্গে সভা-সেমিনারের আড়ালে ষড়যন্ত্রের টাকা ছড়ানো শুরু হয়েছে। এটি বিএনপির জন্য, দেশের জন্য অশনি সংকেত। উদ্দেশ্য স্পষ্ট—তারেক রহমানকে দেশে ফেরার পথে বিলম্ব ঘটানো এবং ২০১৮ সালের মতো আরেকটি সাজানো নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া।

তবে এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের নির্দেশে তৃণমূল বিএনপিকেই অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। আমরা অতীতে প্রতিবাদ করেছি, ভবিষ্যতেও করব, ইনশাআল্লাহ। এটি শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়—আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।