Home Blog Page 53

গৌরনদীতে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশে শোকজ, জবাবে উকিল নোটিশ

 

গৌরনদী প্রতিনিধিঃ

বরিশালের গৌরনদীতে দুই শিক্ষকের অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করায় প্রেসক্লাবের তিন সাংবাদিককে বহিষ্কারের শোকজ নোটিশ দিয়েছেন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির। তবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা পৃথকভাবে আইনজীবীর মাধ্যমে তিনটি উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন।

 

রোববার গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আরিফিন রিয়াদ, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি মোল্লা ফারুক হাসান এবং দৈনিক যায়যায় দিনের প্রতিনিধি রাজিব ইসলাম তারিমের পক্ষে পৃথক তিনটি নোটিশ জারি করেন বরিশাল জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম রিয়াজুর ইসলাম রিয়াজ।

 

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির ওই তিন সাংবাদিককে বহিষ্কারের শোকজ নোটিশ দেন। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের অভিযোগ, আহ্বায়কের পদক্ষেপ সংবিধান প্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষতি করার পাশাপাশি প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তিকেও কলঙ্কিত করেছে।

উকিল নোটিশে বলা হয়, আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনির যে নোটিশ দিয়েছেন সেখানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে দুই শিক্ষকের অনিয়ম আড়াল করার অপচেষ্টা।

 

 

জানা গেছে, স্কুল ও কলেজ (নীতিমালা ২০২২, অনুচ্ছেদ ১১.১৭), মাদ্রাসা (নীতিমালা ২০১৮, সংশোধিত ২০২০, অনুচ্ছেদ ১১.১০) (ক) সরকারি বিধি বহির্ভূত ভাবে গৌরনদীর নাঠৈ রিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মু. শাহিন ও গরঙ্গল দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ফারহান হোসেন নান্নু শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা একত্রে করে আসছেন। সম্প্রতি বিদ্যালেয়র ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরীর কাছ থেকে কোন প্রকার ছুটি না নিয়েই সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে কক্সবাজারে পিকনিকে যান প্রধান শিক্ষক শাহিন । অন্যদিকে সহকারী শিক্ষক নান্নু অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে একই পিকনিকে অংশ নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের তথ্য সরবরাহ করলে কয়েকটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে ‘গৌরনদীতে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে এ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের পর প্রেসক্লাব আহবায়ক মনিরুজ্জামান ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিহিংসা বশত সাংবাদিক আরিফিন রিয়াদ ও রাজিব ইসলাম তারিমকে আসন্ন পিআইবি প্রশিক্ষণের তালিকা থেকে বাদ দেন। এমনকি এ নিয়ে সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান প্রেসক্লাবের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দুঃখ প্রকাশ করলে তার ওপরেও ক্ষিপ্ত হন। পরবর্তীতে তিন সাংবাদিককেই ‘কারণ দর্শানো নোটিশ’ দিয়ে প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কারের পাঁয়তারা শুরু করেন তিনি।

 

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কারণেই এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে মনিরুজ্জামান মনির আহবায়কের ক্ষমতার অপব্যবহার করে গলায় প্রেসকার্ড ঝুলিয়ে উপজেলার সুন্দরদী এলাকায় একটি জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তার একটি মারমুখি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সংস্লিষ্ট তিনজন সাংবাদিক ঘটনাটি প্রকাশের প্রস্তুতি নিলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে নোটিশ জারি করেন।

 

আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠানো নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক রাজিব ইসলাম তারিমকে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য ফোনে চাপ দেন মনির। অন্যথায় তাকেসহ তার সহকর্মীদের মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় জড়ানো হবে বলে হুমকি দেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়েরও চেষ্টাও করেন।

সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, একজন প্রেসক্লাব আহবায়কের কোনো এখতিয়ার নেই সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার। যা সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের সরাসরি পরিপন্থী। তারা আরও জানান, কূটকৌশল ও অসৎ উদ্দেশ্যে শোকজ ইস্যুর তারিখ ও হাতে পাওয়ার তারিখ ভিন্ন রেখে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যাতে সাংবাদিকরা যথাযথ সময়ে জবাব দিতে না পারেন।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত এখনও চলমান। তদন্ত শেষ না হওয়া সত্ত্বেও আহবায়ক মনিরুজ্জামান কী প্রমাণ বা সরকারি নথির ভিত্তিতে সংবাদটিকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দিয়েছেন? তাদের অভিযোগ, এ ধরনের মন্তব্য চলমান তদন্তকে প্রভাবিত করার স্পষ্ট অপচেষ্টা এবং ব্যক্তিগত পূর্বাগ্রহের বহিঃপ্রকাশ যা দায়িত্বশীল পদে থেকে একজন সংগঠনের আহবায়কের জন্য গর্হিত কাজ।

 

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা বলেন, এটি শুধু আমাদের ব্যক্তিগত ক্ষতির বিষয় নয় এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

বরিশাল জজকোর্টের অ্যাডভোকেট এসএম রিয়াজুর ইসলাম রিয়াজ বলেন, আমার মক্কেলগণ সাংবাদিকতার পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং অবৈধ প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। তিনজন সাংবাদিকের পক্ষে পৃথকভাবে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং এই নোটিশের যথাযথ ব্যাখ্যা ও প্রমাণ প্রদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। অ্যাডভোকেট রিয়াজ আরও বলেন, একজন প্রেসক্লাব আহবায়ক সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশে হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার রাখেন না। এমন হস্তক্ষেপ সংবিধান ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের ক্লায়েন্টের পক্ষে শোকজ নোটিশ প্রত্যাহারের পাশাপাশি লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তা না হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মানহানি মামলা, হুমকি প্রদান, চাঁদাবাজি, ষড়যন্ত্র এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হবে।

এ ঘটনায় গৌরনদীসহ বরিশাল অঞ্চলের সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা বলেন, প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে থেকে ব্যক্তিস্বার্থে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখানো শুধু সংগঠনের মর্যাদা নষ্ট করছে না বরং সাধারণ মানুষের চোখে পুরো গণমাধ্যমের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনিরের মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলে তার নম্বর বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ঠান্ডা মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে এ আক্রমণ চালানো _ _ এম আব্দুল্লাহ

0

অবিশ্বাস্য! ভিডিও ফুটেজগুলো দেখে স্তম্ভিত। নুরের প্রতি এত আক্রোশ! কেন? আক্রোশ মেটাতে এক ভয়াবহ উন্মত্ততা দেখা গেছে। একজন মানুষকে শায়েস্তা করতে কতজনে মিলে পিটাতে হয়? এ-ও সম্ভব? ‘তোকে জুলাই ভরে দেওয়া হবে’- এমন কথা বলে নুরকে নির্দয়ভাবে পেটানো হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয়, ঠান্ডা মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে এ আক্রমণ চালানো হয়েছে। গণঅধিকারের নুর নয়, বরং জুলাই যোদ্ধা নুরকে পেটানো হয়েছে।

নুরুল হক নুরের অবস্থা ভালো নয়। যতটা জানা গেছে, তাঁর নাক পুরোটাই ভেঙে গেছে, ডান চোখ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দুপাশের চোয়াল ফাটল ধরেছে৷ আর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ডাক্তারও শঙ্কা প্রকাশ করেছে। ৭২ ঘন্টা পর বোঝা যাবে।

নুরকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। এটা থাকবেই। কার ব্যাপারে নেই? তাঁর সব আচরণ, কর্মকাণ্ড আমার পছন্দ নয়। তাই বলে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তার লড়াই, বার বার আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত হওয়া, গণঅভ্যুত্থানের আগে গ্রেফতার ও রিমাণ্ডে নির্যাতনের মত ত্যাগকে ভুলে গেলে চলবে না।
দোয়া করি নুরুল হক নুরের জন্য৷ আল্লাহ সহায় হোন। নির্মম নির্যাতনে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা চাই। সরকারি ব্যবস্থায় দ্রুত বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসা চাই। নুরের মতো একজন দলীয় প্রধানের কিছু হলে তার দায় কেউ এড়াতে পারবেন না৷

৭১” মঞ্চ নাম দিয়ে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর অংশ হিসেবে ওই আয়োজন _ _ _এম আব্দুল্লাহ খা‌ন

✔️ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ৭১ মঞ্চ নামের একটি নতুন গজানো সংগঠন গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে। ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবিদার একদল লোক সেখানে হাজির হয়ে ঘেরাও করে, শ্লোগান দিয়ে অনুষ্ঠানটি বাধাগ্রস্ত করে। তাদের দাবি- ৭১ মঞ্চ নাম দিয়ে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর অংশ হিসেবে ওই আয়োজন। এক পর্যায়ে পুলিশ এসে আয়োজক, আলোচকসহ সম্ভবত ১৬ জনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। রাতে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দিয়ে আজ কোর্টে চালান দেয়। আদালত তাদের জেলে পাঠিয়েছে। কোর্ট প্রাঙ্গণে আটককৃতদের কয়েকজনের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যম ও ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে ঘুরছে।

✔️ আটক ১৬ জনের মধ্যে আলোচিত ৩ জন। লতিফ সিদ্দিকী বরাবরই আলোচিত। ধর্ম নিয়ে, হজ নিয়ে, আরও নানা বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্য ও ভূমিকার জন্যে রাজনীতিতে কোনঠাসা ছিলেন। আওয়ামী লীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও ‘বঙ্গবন্ধু লীগে’ ভাই কাদের সিদ্দিকীর মতোই আছেন নিবেদিত। লতিফ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানে তাঁকে ডেকেছেন জেড আই খান পান্না। হালে শেখ হাসিনার জন্যে সবচেয়ে দরদী, সহমর্মি ও তাঁর পক্ষে আইনী লড়াইয়ের ঘোষণা দানকারী আইনজীবী তিনি । তার মানে হচ্ছে অনুষ্ঠানটির উদ্যোক্তা এই খান পান্না। তিনি কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির হননি বা হওয়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। বলা হয়েছিল প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন- ড. কামাল হোসেন। তিনিও গরহাজির ছিলেন। গণফোরাম প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ড. কামাল হোসেনের নাম ব্যবহার করা হয়েছে প্রতারণামূলকভাবে।
আরেক আলোচিত বক্তা ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন। এই কার্জন কে? তিনি এক সময় দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক ছিলেন। তখন তাঁকে দেখেছি আওয়ামী লীগ ও বাম রাজনীতির অ্যাক্টিভিজমে। বিশ্বিবদ্যালয় শিক্ষক হওয়ার পর সেই অ্যাক্টিভিজমে কোন ব্যত্যয় দেখিনি। একটি টকশোতে পেয়েছিলাম। শেখ হাসিনার প্রতি অন্ধ আনুগত্যের কারণেই যে পুরষ্কার হিসেবে ঢাবিতে চাকরি পেয়েছেন তা উল্লেখ বাহুল্য। গ্রেফতারের পর আরেকজন বীরত্ব প্রদর্শন করছেন, তিনি সাংবাদিক। মঞ্জুরুল আলম পান্না। তাঁর সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার নিয়ে অনেকে ফেসবুকে অনেক আলাপ তুলেছেন। সেদিকে যাচ্ছি না। তিনি কিন্তু অনুষ্ঠানের সংবাদ কভার করতে যাননি। পান্না মূলতঃ অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক, সংগঠক। সাম্প্রতিক সময়ে পতিত ফ্যাসিস্টকে নরমালাইজ করতে যে কয়জন টিভি টকশোতে উচ্চকণ্ঠ, তাদের একজন পান্না। তাঁকে একটু বেশিই ক্রেজি দেখা যাচ্ছে। আরেক আলোচক জনতার মঞ্চের মূল সংগঠক আবু আলম শহীদ খান সম্পর্কে কয়েদিন আগে লিখেছিলাম।
✔️ এখন প্রশ্ন হলো অনুষ্ঠানটি কি আর দশটি আয়োজনের মতো সাধারণ গোলটেবিল আলোচনা ছিল? এ সংগঠনটি কবে পয়দা হলো? কারা এই সংগঠনের নেতৃত্ব? কে কোন পদে? অর্থের যোগানদাতা কে বা কারা?
✔️ রিপোর্টার্স ইউনিটি এক বিবৃতি দিয়ে অনুষ্ঠান ভন্ডুল ও আটকের নিন্দা করেছে। কিন্তু তারা হল বুকিংয়ের সময় কি একবারও জানতে চেয়েছে, যে এ সংগঠন কবে জন্মালো। একটা নাজুক সময়ে তারা যে বিষয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছে তা কি স্বাভাবিক মনে হয়েছে? রিপোর্টার হিসেবে ইউনিটির নেতারা কি জানেন না যে আয়োজকদের সাম্প্রতিক ভূমিকা গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী? তাঁরা মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলেছেন, অনুষ্ঠান করার স্বাধীনতার কথা বলেছেন। জানার আগ্রহ, আগামীকাল আওয়ামী লীগ বা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ কিংবা হিজবুত তাহরীর হল চাইলেও দেবেন? আওয়ামী লীগের সময়ে হল বুকিংয়ের আবেদন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠিয়ে তাদের ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নিয়ম হয়েছিল একবার। মাহমুদুর রহমানের সংবাদ সম্মেলনের জন্যে হল চেয়ে পাওয়া যায়নি। নিজেরা বিচার বিবেচনা না করলে আবারও হল বুকিং গোয়েন্দা সংস্থার এখতিয়ারে যাওয়ার আশংকা করি।
✔️ সাংবাদিক নিপীড়নের নিন্দা করি। গত ১৫ বছর সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিরামহীন লড়াই করেছি। এখনও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, পাশে থাকার চেষ্টা করছি। কিন্তু সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না সাংবাদিকতার জন্যে গ্রেফতার হননি। হয়েছেন অ্যাক্টিভিজমের জন্যে। ড. ইউনূস সরকারকে উৎখাত করে ফ্যাসিস্টদের ফেরানোর জন্যে দিল্লিতে এস আলম যে আড়াই হাজার কোটি টাকা হস্তান্তর করেছেন তার ব্যবহার ডিআরইউর ওই অনুষ্ঠান থেকে শুরু হয়েছে কিনা তা সন্দেহ করার অবকাশ রয়েছে। ১৫ বছর সকল অপকর্ম ও অপশাসনের ঢাল ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শেখ মুজিবের দেবত্ব। এখন ফ্যাসিবাদ ফেরানোর পাটাতন তৈরি করার অপচেষ্টা চলছে একই হাতিয়ার দিয়ে। এটা বুঝার জন্যে রকেট সায়েন্স জানার দরকার নেই।

✔️ ডিবি অনুষ্ঠান থেকে হেফাজতে নিয়ে কেন সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দিল, তা তাদেরকে স্পষ্ট করতে হবে। তা নাহলে দেশ বিদেশে ভুল বার্তা দেবে। জিজ্ঞাসাবাদে দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টার কোন প্রমাণ পেয়ে থাকলে জানানো উচিত। না পেয়ে থাকলে তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিলো। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে যদি এমন কোন তথ্য থেকে থাকে যে, ৭১ মঞ্চ পতিত আওয়ামী লীগের ছায়া সংগঠন। বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠান সফল হলে পরে আরও বড়ো পরিসরে এই ব্যানারে নামার প্রস্তুতির তথ্য থাকলে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত। তা না হলে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে সরকারকে এক হাত নিচ্ছেন।

সাকো থে‌কে প‌ড়ে স্কুলছাত্রী নিহত

সাঁকো পারাপারের সময় খালে পড়ে নুসরাত (৯) নামের এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বরিশালের মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চর কোলানিয়া এলাকায় ঘটনা ।

নিহত নুসরাত ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে পার্শ্ববর্তী হিজলা উপজেলার কোলচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নুসরাতের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, তার মেয়ে সাঁতার জানত না। কয়েকদিন আগে টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ায় শারীরিকভাবেও অনেক দুর্বল ছিল। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে পরীক্ষায় অংশ নিতে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সাঁকো থেকে পড়ে খালে ডুবে তার মৃত্যু হয়।

খুবই হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

পুরুষের সবচেয়ে বড় শত্রু তার নিজের এক‌টি অংগ. আর নারীর?

0

আপনার প্যান্টের ভেতরের অঙ্গটিই কি আপনার ব্রেনকে কন্ট্রোল করে? পুরুষের পতন কি তার নিজের রক্ত-মাংসে লেখা থাকে?
আর নারীর সর্বনাশ কি তার অফুরন্ত চাহিদার আগুনে?

আজ কোনো ভদ্রতার মুখোশ নয়, কোনো মিষ্টি কথার প্রলেপ নয়। আজ আমি, ফারহানা, সেই কদর্য, ভয়ংকর সত্যটা তুলে ধরব, যা আমাদের সমাজকে, সম্পর্কগুলোকে, আর আমাদের ভেতরকার সত্তাটাকে একটা অদৃশ্য ক্যান্সারের মতো কুরে কুরে খাচ্ছে।

ভয় পাবেন না, কারণ ভয় পেয়েই তো জীবনটা শেষ করে দিলেন। আজ মুখোমুখি হওয়ার দিন।

পুরুষ: আপনার সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক কি আপনার নিজের শরীরেই বাস করে?

চলুন, সমস্ত ভনিতা আর সামাজিকতার দেয়াল ভেঙে আজ কথা বলি। একজন পুরুষ হিসেবে, আপনার জীবনের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে বিধ্বংসী শত্রু কে? কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী? কোনো অশুভ শক্তি? নাকি আপনার ভাগ্য? না। আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু আপনারই শরীরের একটি অংশ। হ্যাঁ, আমি আপনার সেই অঙ্গটির কথাই বলছি, যাকে ঘিরে আপনার পৌরুষের অহংকার, আপনার ক্ষমতার দম্ভ, আপনার আদিম অস্তিত্বের জানান। আপনার ‘নুনু’। যে অঙ্গটি আপনাকে সৃষ্টির স্বর্গীয় ক্ষমতা দিয়েছে, সেই অঙ্গটিই যখন আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন সেটি আপনার জন্য নরকের দরজা খুলে দেয়।

একবার আপনার জীবনের দিকে ফিরে তাকান। কতগুলো সাজানো স্বপ্ন, কতগুলো সুন্দর সম্পর্ক, কতগুলো উজ্জ্বল সম্ভাবনা শুধু এক মুহূর্তের শারীরিক উন্মাদনার কাছে বলিদান দিয়েছেন? আপনার প্যান্টের ভেতরের সেই আদিম আগ্নেয়গিরি যখন জেগে ওঠে, তখন কি আপনার মস্তিষ্ক, আপনার বিবেক, আপনার বছরের পর বছর ধরে অর্জিত জ্ঞান আর সম্মান—সবকিছু এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় না?

আপনি একজন বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ মানুষ। আপনি জানেন কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল। আপনি আপনার স্ত্রী বা সঙ্গীকে ভালোবাসেন, তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মূল্য বোঝেন। কিন্তু যখন এক মুহূর্তের জন্য আপনার চোখের সামনে অন্য কোনো শরীর ভেসে ওঠে, তখন আপনার ভেতরের সেই নিয়ন্ত্রণহীন জানোয়ারটা জেগে ওঠে। সেই জানোয়ার আপনার সমস্ত বিবেককে গলা টিপে হত্যা করে। সে আপনাকে বোঝায়, “এটাই জীবন। একবারই তো সুযোগ। উপভোগ করে নাও।” আর আপনি, একজন শক্তিশালী পুরুষ, সেই কয়েক ইঞ্চি মাংসের দাসের মতো তার নির্দেশ পালন করেন।

আপনি ভাবেন, কেউ জানবে না। কিন্তু আপনি ভুলে যান, আপনার সবচেয়ে বড় বিচারক আপনি নিজেই। ক্ষণিকের উত্তেজনার পর যখন আপনি একা হন, তখন নিজের প্রতি যে ঘৃণা, যে আত্মগ্লানি অনুভব করেন, সেই নরকযন্ত্রণা থেকে আপনাকে কে মুক্তি দেবে? যে পুরুষ তার যৌন ইচ্ছাকে শাসন করতে পারে না, সে আসলে একজন ক্রীতদাস। তার শরীর তার কাছে একটা কারাগার। সে সারাজীবন শুধু তাৎক্ষণিক মুক্তির জন্য ছটফট করে, আর সেই মুক্তির লোভে সে তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সবকিছু—বিশ্বাস, ভালোবাসা, সম্মান, শান্তি—একে একে হারাতে থাকে।

ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীর বহু ক্ষমতাধর রাজা, জ্ঞানী ব্যক্তি, সফল মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু তাদের এই একটি দুর্বলতার কারণে। তাদের তলোয়ারের ধার, বুদ্ধির জোর—কোনোকিছুই তাদের কামনার আগুনের সামনে টিকতে পারেনি। আপনিও সেই একই ফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো? আপনার জীবনের যত বিপর্যয়, যত অশান্তি, তার মূলে কি আপনার এই নিয়ন্ত্রণহীন শারীরিক ক্ষুধা দায়ী নয়? নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তরটা যদি ভয়ঙ্কর হয়, তাহলে বুঝবেন, বিপদ সংকেত আপনার কানের পাশেই বাজছে। সময় থাকতে লাগামটা ধরুন, নইলে এই লাগামহীন ঘোড়া আপনাকে এমন জায়গায় আছড়ে ফেলবে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না।

নারী: আপনার অতৃপ্ত লোভই কি আপনার শরীরকে পণ্য বানিয়ে তুলেছে?

এবার নারীদের দিকে আসি। সমাজের চোখে আপনারা কোমল, মমতাময়ী, ভালোবাসার প্রতিমূর্তি। কিন্তু আপনার বুকের ভেতরের সেই গোপন কুঠুরিতে কী বাস করে? সেখানে কি ভালোবাসা আর মমতার পাশাপাশি এক অতৃপ্ত, ক্ষুধার্ত রাক্ষসী বাস করে না? যে রাক্ষসীর খিদে কখনো মেটে না? আর সেই রাক্ষসীর নাম হলো ‘লোভ’।

আপনার স্বামী বা সঙ্গী আপনাকে ভালোবাসে। সে তার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আপনার সব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করে। সে আপনাকে সম্মান দেয়, সময় দেয়, নিরাপত্তা দেয়। আপনার জীবনটা হয়তো অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। কিন্তু আপনার মন ভরে না। কারণ, আপনার চোখ নিজের প্লেটের দিকে নয়, অন্যের প্লেটের দিকে। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে অন্যের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, বান্ধবীর নতুন ডায়মন্ডের নেকলেস, প্রতিবেশীর নতুন মডেলের গাড়ি—এই সবকিছু আপনার ভেতরের অতৃপ্তির আগুনে ঘি ঢালে। আপনার মনে হয়, “আমার যা আছে, তা যথেষ্ট নয়। আমার আরও চাই, আরও চাই, আরও চাই!”

এই ‘আরও চাই’ রোগটা এক ভয়ংকর মানসিক ক্যান্সার। এটা আপনার শান্তিকে কেড়ে নেয়, আপনার ঘুমকে নষ্ট করে দেয়। আপনার সঙ্গীর অক্লান্ত পরিশ্রম, তার ভালোবাসা, তার ত্যাগ—সবকিছু আপনার কাছে তুচ্ছ মনে হতে থাকে। আপনার চোখে তখন সে আর ভালোবাসার মানুষ থাকে না, হয়ে ওঠে আপনার অফুরন্ত চাহিদার জোগান দেওয়ার একটা মেশিন।

আমি ফারহানা বলছি, আমি নিজের চোখে দেখেছি কীভাবে এই সর্বনাশা লোভ একটা সাজানো সংসারকে ধ্বংস করে দেয়। যখন একজন নারীর স্বামী তার আকাশছোঁয়া চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, আর ঠিক সেই মুহূর্তে অন্য কোনো পুরুষ তার সামনে অর্থের ঝনঝনানি, ক্ষমতার হাতছানি আর বিলাসিতার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে হাজির হয়, তখন কী হয়?

তখন কিছু নারী তার নীতি, আদর্শ, সততা, এমনকি তার নিজের শরীরকেও বিসর্জন দিতে দ্বিধা করে না। যে শরীরটা ছিল ভালোবাসার মন্দির, সেই শরীরকেই সে তার লোভ মেটানোর জন্য সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। সে এক পুরুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাসকে পায়ের নিচে পিষে অন্য পুরুষের অর্থে কেনা বিছানায় নিজেকে সঁপে দেয়। সে ভাবে, সে খুব চালাক। সে ভালোবাসা আর বিলাসিতা—দুটোই ভোগ করছে। কিন্তু সে আসলে নিজের আত্মাকেই একটু একটু করে বিক্রি করে দিচ্ছে।

এই ধরনের নারীরা ভুলে যায়, টাকা দিয়ে দামী অলংকার কেনা যায়, সম্মান নয়। টাকা দিয়ে বিলাসবহুল জীবন কেনা যায়, কিন্তু মানসিক শান্তি কেনা যায় না। যখন সেই অর্থদাতা পুরুষটি তাকে ব্যবহার করার পর ছুড়ে ফেলে দেয়, তখন সে না পায় সম্মান, না পায় ভালোবাসা। তার জন্য পড়ে থাকে শুধু একরাশ অনুশোচনা আর একাকীত্ব। যে নারী অল্পে তুষ্ট থাকতে জানে, যে তার সঙ্গীর পাশে থেকে শূন্য থেকে শিখরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, সেই প্রকৃত রানী। আর যে নারী অন্যের তৈরি প্রাসাদের লোভে নিজের কুঁড়েঘরের রাজাকে ছেড়ে যায়, তার ভাগ্য দাসী হওয়া ছাড়া আর কিছুই লেখা থাকে না।

এতক্ষণ ধরে যে দুটি ভয়ংকর শত্রুর কথা বললাম—পুরুষের নিয়ন্ত্রণহীন ‘নুনু’ আর নারীর অতৃপ্ত ‘লোভ’—এগুলোই আপনার জীবনের ৭০ শতাংশ সমস্যার মূল কারণ। বিশ্বাস হচ্ছে না?

একবার ভাবুন, যে পুরুষ তার যৌন ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিখে গেছে, সে কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করবে না। তার পরিবারে অশান্তি থাকবে না। সে তার সমস্ত শক্তি, মেধা আর সময় নিজের উন্নতিতে এবং পরিবারকে ভালোবাসায় ব্যয় করবে। তার জীবনে আসবে সফলতা, সম্মান আর মানসিক স্থিতি।

আর যে নারী তার লোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে গেছে, সে তার সঙ্গীর অল্প আয়েও সুখী থাকবে। সে বাইরের চাকচিক্য দেখে হাহুতাশ করবে না। সে তার সঙ্গীর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠবে, বোঝা নয়। তাদের সংসারে থাকবে বিশ্বাস, বোঝাপড়া আর অফুরন্ত ভালোবাসা।

বিষয়টা খুবই সরল। আপনার যুদ্ধটা বাইরের কারো সাথে নয়, আপনার যুদ্ধ আপনার নিজের ভেতরের এই পশুটার সাথে। পুরুষকে তার প্যান্টের ভেতরের পশুটাকে বশ করতে হবে, আর নারীকে তার বুকের ভেতরের পশুটাকে।

আজ রাতেই সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি আপনার ভেতরের জানোয়ারটার দাস হয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন? নাকি তাকে শিকল পরিয়ে নিজের আত্মার অধিপতি হবেন?

পুরুষদের জন্য: আপনার আসল পৌরুষ আপনার নিয়ন্ত্রণহীনতায় নয়, আপনার কঠোর আত্মনিয়ন্ত্রণে। আপনার শক্তি হাজারটা শরীর জয় করায় নয়, একটা মনকে আজীবন বিশ্বস্ত থাকায়।

নারীদের জন্য: আপনার আসল সৌন্দর্য দামী পোশাকে নয়, আপনার তৃপ্ত হাসিতে। আপনার আসল শক্তি অন্যের সম্পদে নয়, নিজের সঙ্গীর প্রতি अटूट (অটুট) বিশ্বাসে।

আমি ফারহানা, আপনাদের বিচার করতে আসিনি। এসেছি শুধু আয়নাটা তুলে ধরতে। সেই আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে যদি ভয় লাগে, যদি নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তাহলে জানবেন—এখনো সময় আছে। কাল সকালটা আপনার জন্য একটা নতুন সুযোগ। হয় নিজেকে বদলান, নয়তো এই আত্মবিধ্বংসী খেলায় তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। সিদ্ধান্ত আপনার।

‌গৌরনদী‌ থে‌কে ঢাকার পু‌লি‌শের হা‌তে রেজাউল গ্রেফতার

কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও মূল্যবান কাগজপত্র চুরির মামলার পলাতক আসামি বরিশালের গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের পদবিহীন নেতা সফিকুর রহমান রেজাউল সিকদার এবং তার গাড়িচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ঢাকার একটি মামলায় পল্লবী থানা পুলিশ গত ২৭ আগস্ট রেজাউল সিকদার ও তার চালক জুয়েল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাজধানীর পল্লবী থানা পুলিশ গোডন সংবা‌দের ভি‌ত্তি‌তে ব‌রিশা‌লের গৌরনদী পৌর সদ‌রের খ্রিষ্টানপাড়ার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত রেজাউল সিকদার গৌরনদী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের টরকী বন্দরের সুন্দরদী মহল্লার মৃত হাবিবুর রহমান সিকদারের ছেলে।

রেজাউল শিকদার পূর্বে আওয়ামী লীগ ফ‌্যা‌সিস্ট সরকারের আমলে গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবং গৌরনদী পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন।

ঢাকার পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জয় দাস জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা মিরপুরের ডিএসএস লিং অফিসে কেয়ারটেকারকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করে এবং অফিস থেকে কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ ব্রিফকেসে রাখা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোম্পানির ম্যানেজার নাছিমা বেগম বাদী হয়ে সফিকুর রহমান রেজাউল সিকদার ও তার চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, রেজাউলের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ঢাকার হাজারীবাগে তৃতীয় স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা করার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার হওয়া, টরকী বন্দরে নিজের বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্থানীয় ব্যবসায়ী কালাচাঁন মণ্ডলের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। তবে রহস্যজনক কারণে প্রতিবারই তিনি আইনের ফাঁক গলে রেহাই পেয়ে যান।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেজাউল কৌশলে রাজনৈতিক অবস্থান বদলে নতুন বাংলাদেশ পার্টি (এনবিপি)-তে যোগ দেন এবং নামেমাত্র ওই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

নিখোঁজের তিনদিন পর ভাঙ্গায় হিজরার লাশ উদ্ধার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় নিখোঁজের তিনদিন পর তোষু হিজড়া ওরফে মাসুদ বেপারীর (৩২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের শাহ মল্লিকদী গ্রামের ৩ নম্বর ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত লাশের গায়ে লাল রঙের ব্লাউজ পরা ছিল। পরে স্থানীয় হিজড়া সম্প্রদায়ের কয়েকজনের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিহত তোষু রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলদিয়া এলাকার বাবু বেপারীর সন্তান বলে জানা গেছে।

ভাঙ্গা থানার এসআই রতন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঔষধের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির অভিযোগে বিভিন্ন ঔষধের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি পুলিশের একটি বিশেষ টিমসহ।
ব‌রিশা‌লের গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায়

অভিযানকালে আশোকাঠি মেডিকেল হলকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার দায়ে ৩,০০০ টাকা, নয়ন মেডিকেল হলকে ১৫,০০০ টাকা এবং কাউসার ড্রাগ হাউসকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। মোট ২৩,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং জব্দ করা হয় সকল মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ।

অস্বাস্থ্যকর খাবার বি‌ক্রির দায়ে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

এলাহী হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ পরিবেশন, বাসি খাবার বি‌ক্রি প‌রি‌বেশন, ও খাবারে কৃত্রিম রং এবং ক্ষ‌তিকারক টেস্টিং সল্ট (এমএসজি) অ‌তি‌রিক্ত ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি। অভিযানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে রেস্টুরেন্টটির মালিক মো. রাশেদ আকন-কে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
ঘটনা‌টি ব‌রিশাল ঢাকা মহাসড়‌কের গৌরনদী উপ‌জেলার কটকস্থল এলাকায় । আজ বুধবার দুপু‌রে এ অ‌ভিযান প‌রিচালনা করা হয় ।

অভিযান চলাকালে গৌরনদী মডেল থানার একটি বিশেষ টিম উপস্থিত থেকে সহযোগিতা প্রদান করে।

জনস্বার্থে পরিচালিত এ অভিযানের ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। তারা মনে করছেন, এর ফলে এলাকার অন্যান্য খাবার ব্যবসায়ীরাও সতর্ক হবেন এবং ভোক্তারা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার পেতে আরও আশ্বস্ত হবেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জামাই দু মা‌সের জন‌্য শশুর বা‌ড়ি

0

ম্যাজিস্ট্রেট বর শরিফুল ইসলামকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের ২০১৭ সালের ৭(১) ধারায় দুই মাসের কারা’দণ্ড প্রদান করেন।
পড়বি পড়, তা আবার মালির ঘাড়ে!

বর শরিফুল ইসলাম এর আগে ২টা বিয়ে করেছিলেন। ৩য় বিবাহ অপ্রাপ্ত বয়সের এক কন্যাকে বিয়ে করতে গিয়ে আটক হয়ে জেলে যেতে হল বরকে ।

ঘটনাটি বেড়া উপজেলার কৈটোলা ইউনিয়নের বেংগালিয়া গ্রামে।

জন্মসনদে উল্লিখিত অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে করতে আসলে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বেড়া মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় বর কে আটক করে।
বরের নাম মোঃ শরিফুল ইসলাম (২৫) আমিনপুর থানার জাতসাখিনী ইউনিয়নের সিংহাসন গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৭(১) ধারায় দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। বরের আগের দুটি বিবাহ করেছে মর্মে জানা যায়।