Home Blog Page 54

দাফ‌নের ১ দি‌ন প‌রে যুবক বা‌ড়ি‌তে

0

দাফনের ১৭দিন পর এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার!
সিলেটের ওসমানীনগরে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দাফনের ১৭ দিন পর রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামে এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ তাকে নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। পরে জবানবন্দির রেকড করার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধারকৃত রবিউল ইসলাম নাঈম উপজেলার গোয়ালা বাজার ইউনিয়নের গদিয়ারচর গ্রামের কণাই মিয়ার ছেলে।

এদিকে উদ্ধারকৃত নাঈম হত্যা মামলায় কারাগারে আছেন প্রধান আসামি বগুড়ার শিবগঞ্জের ব্যবসায়ী বুলবুল ফকির।

বিস্তারিত- ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বুলবুল ফকিরের রেস্টুরেন্টে কাজ করতো নাঈম গত ২৪ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হয়। নাঈমের মা ছেলেকে নিখোঁজ উল্লেখ করে ওসমনীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

৯দিন পর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়।
লাশটি নাঈমের বলে চিহ্নিত করে তার মা। পরে গত ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করেন।

তারপর নিহত নাঈমের মা বাদি হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় বুলবুল ফকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এদিকে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কুলাউড়া থানার এস,আই মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করেন। বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

‌বোতলবা‌ড়ি,প‌রিত‌্যাক্ত বোতল দি‌য়ে বা‌ড়ি নির্মান

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রামানন্দের আঁক গ্রামের শান্ত আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে আছে এক বিস্ময়—‘বোতল বাড়ি’।

পাঁচ কক্ষের এই দোতলা বাড়ি যেন রঙিন কাঁচের রাজপ্রাসাদ, তবে এখানে কাঁচ নয়, ইট নয়—দেয়াল গড়েছে রঙ-বেরঙের প্লাস্টিকের বোতল।

উদ্যোক্তা দন্ত চিকিৎসক পলাশ চন্দ্র বাড়ৈ যখন প্রথম স্বপ্নের কথা বলেছিলেন, অনেকেই হেসেছিলেন—“বোতল দিয়ে আবার বাড়ি হয় নাকি?”

কিন্তু দিনের পর দিন ভোরে ট্রাকভর্তি প্লাস্টিকের বোতল আসতে দেখে কৌতূহল জমেছিল গ্রামে। শ্রমিকরা একে একে বোতলগুলোতে বালু ভরছে, সারি সারি সাজিয়ে দিচ্ছে—আর ধীরে ধীরে রূপ নিতে শুরু করল এক অভিনব স্থাপত্য।

যে‌টি বোতল বা‌ড়ি নামে বেশ প‌রি‌চিত। আজ সেই বাড়ি গোটা বরিশালেই আলোচনার কেন্দ্র।

সাংবা‌দিক বিভুরঞ্জন র মর‌দেহ মেঘনা থে‌কে উদ্ধার

নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কলাগাছিয়া ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার সীমান্তবর্তী চর বলাকি সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কলাগাছিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সালেহ আহম্মেদ পাঠান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ। মরদেহের ছবি রমনা থানায় পাঠানো হয়েছে এবং স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা শনাক্তের জন্য মুন্সীগঞ্জে যাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, মরদেহের পরনে ছিল হাফ হাতা শার্ট এবং গলায় ফিতাসহ চশমা ঝুলানো ছিল। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন বিভুরঞ্জন সরকার। তবে তিনি আর বাসায় ফেরেননি এবং অফিসেও যাননি। এ সময় তার সঙ্গে মোবাইল ফোনও ছিল না। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ সাংবাদিকের ছেলে ঋত সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বাবা প্রতিদিনের মতো অফিসে যাওয়ার কথা বলে বের হন। কিন্তু পরে আর ফেরেননি। আমরা সর্বত্র খুঁজেছি, তবুও কোনো খোঁজ পাইনি।’

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে রমনা থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিভুরঞ্জন সরকারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে গতকাল রাতে একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।’

বিভুরঞ্জন সরকার দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছেন। তিনি মূলত একজন কলামিস্ট হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বসবাস করতেন।

খা‌লে ডু‌বে নারীর মৃত‌্যু রহস‌্য ঘ‌নিভূত

আশোকাঠী খা‌লে ডু‌বে মধ‌্য বয়স্ক এক নারীর মৃত‌্য হ‌য়ে‌ছে । এ মৃতু‌্য নি‌য়ে রহস‌্যজনক ব‌লে ম‌নে কর‌ছেন স্থানীয়রা । নিহত নারীর নাম উম্মে বিথী উপজেলার হরিসেনা গ্রামের সৌদি প্রবাসী রিপন সরদারের স্ত্রী। তার পিতা সরকা‌রি গৌরনদী ক‌লে‌জের কর্মচারী মো: শাহআলম শিকদার ।

গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মো: বিপুল হোসেন জানান, বিথী তার বাবার বাড়ি দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের শাহ আলম শিকদারের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বোরকা ও হিজাব পরিহিত অবস্থায় পালরদী মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন।
প্রশ্ন দেখা দি‌য়ে‌ছে বোরকা হিজাব প‌রে কি কেউ গোসল কর‌তে না‌মে ? তা‌তে কি কো‌নো রহস‌্য লু‌কি‌য়ে আছে কি না ?

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উম্মে বিথী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। টানা পাঁচ ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে খালের তলদেশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার সহ কর্মকর্তারা।

এনায়েত হোসেন মুন্নাঃ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কায়ছার ও বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ আলম। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার।
এসময় বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন কালে বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কায়ছার ও বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ আলম সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স এবং রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোজ খবর নেন।

ছাত্র অ‌ধিকার নেতার বাস্তব আবেগী পোস্ট,নুরুই একমাত্র লোক যে ফ‌্যা‌সি‌স্টের বিরু‌দ্ধে সোচ্চার ছিল

#নুরুল_হক_নুর কে যেদিন #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে বেধড়ক পে/টানো হয়। সেদিন আমাদের সকলের লাইব্রেরির সামনে উপস্থিত হয়ে প্রোগ্রাম শুরুর কথা ছিলো ।
সেদিন মূলত ছাত্রলীগের পরিকল্পনা ছিলো #Md_Rashed_Khan কে
মে/রে #শিবির বলে #পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ।
ভাগ্য ভালো সে অল্পের জন্য সেদিন বেঁচে গেছিলো ।
আমি সবে মাত্র লাইব্রেরির পাশে এসেছি ।
সেই মুহূর্তে লাইব্রেরির সামনে নুরের উপর হা/মলা করে ছাত্রলীগ ।
আমাকে জোর করে সেখান থেকে ধরে নিয়ে গেছিলো Sohel Rana.
নইলে আমার কপালে ও সেদিন আচ্ছামত ধো/লাই জুটতো ।
যা পরবর্তীতে শহীদ মিনারে খেয়েছিলাম ।
নুর কে বাঁচানোর চেষ্টা যে শিক্ষক করছিলেন তাকেও হেনস্তা হতে হয় সেদিন ।

এরপরে নুরের উপর সব থেকে ভয়াবহ হামলা হয় ডাকসুতে ।
নুর কে বাঁচাতে মারাত্মক আহত হয় A Pm Suhel, Muhammad Tuhin Farabi, Nazmul Hasan, Monjor Morshed, আমিনুল ইসলাম নূর সহ অনেকেই ।
সেদিন ছাত্রলীগ ওদের মে/রে ফেলার উদ্দেশ্যে ই হামলা চালিয়েছিলো ।
কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এখনের যত ছাত্রলীগ বিরোধী নেতা তখন কাউকে পাওয়া যায়নি ।

চাচা আপন প্রাণ বাঁচা বলে সবাই ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় মনুষ্যত্ব বিসর্জন দিয়ে এসব উপভোগ করে গেছে ।
২০১৮ সালের আগে হাসিনার বিরুদ্ধে এত বড় ছাত্র আন্দোলন হয়নি ।
কোটার জন্য অনেক আন্দোলন হয়েছে কিন্তু হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলার শুরু হয়েছে ১৮ থেকেই ।

আওয়ামী রেজিমে হাসিনা কে খুশি না করে প্রাণে বেঁচে থাকা বহু কষ্টের কাজ ছিলো ।
নুরুল হক নুর তাকে গণভবনে গিয়ে মা ডেকে আসছে এটা নিয়ে আমরা সবাই আপত্তি করছিলাম ।
এটা নিয়ে একদল এখনো ট্রল করে ।
অথচ সেই সময়ের সিচুয়েশন কি ছিলো এইটা এরা এখন স্বীকার করে না ।

অথচ এরা যদি সেই ১৮ তে এভাবে এগিয়ে আসতো হাসিনা সেবার ই বিতাড়িত হতো ।
শহীদ মিনারে যখন মা/র খেয়ে কাঁদছিলাম,সাহায্য চাইছিলাম।
কোন বড় নেতা আসে নাই বাঁচাইতে ।
সামান্য প্রতিবাদ কইরা একটা মিছিল করতে পারে নাই ।
মিডিয়া কর্মীরা মা/ইর থেকে বাঁচাইছিলো শেষে ।
বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা শুধু নিন্দা জানাইছে,সহমর্মিতা জানাইছে ।
অতটুকু সহমর্মিতার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকবে ।
আর আপনারা এখন বড় লেকচার শোনালেই সব ভুলে যাব তাইনা?

২৪ হইছে এদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ মুক্তি চাইছে বলেই ।
১৬ জুলাইয়ের পরে হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়ে গেছিলো ।
কারণ এদেশের ছাত্র সমাজের বুকে গু/লি চালিয়ে কোন সরকার টেকে নাই ।
ইতিহাসে এই নজির পাবেন না ।

সুদিন আসছে বলে দুর্দিনে যারা লড়াই করে গেছে তাদের অসম্মান করার চেষ্টা কইরেন না ।
তাদের কাজের সমালোচনা থাকলে করেন ।
কিন্তু সবার ত্যাগ কে অস্বীকার করার অপচেষ্টা বাদ দিয়েন । এটা ছাত্রলীগের চাইতেও নোংরামি ।

ছোটলোক আর লুঙ্গীর তলায় থাকা পাবলিক এসব করে ।
৫ আগষ্টের পরে অনেক জ্ঞান দেওয়া পাবলিক দেখি ।
অথচ ৫ আগষ্টের আগে হাসিনার বিরুদ্ধে এদের একটা টু শব্দ করতে দেখি নাই ।
হাসিনার বিরুদ্ধে একদিনের জন্য হলেও কোন মিছিলে নামতে দেখি নাই ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোন আওয়াজ ওঠাতে দেখি নাই ।
অথচ ৫ আগষ্টের পরে নেতার অভাব নাই ।

৫ আগষ্ট না আসলে যাদের
ফাঁ/সি হইতো ।
যাদের জীবন শেষ হয়ে যাইতো ।
আমি তাদের ই নায়ক হিসেবে দেখি ।
৫ আগষ্ট আল্লাহর অশেষ রহমত,মজলুমের কান্না,বীরদের রক্তের বিনিময়ে আসছে ।
আর শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আল্লাহ দেশের হাজারো মানুষের জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে ।
নইলে এদেশের আকাশ থেকে স্বৈরাচারের ছায়া ২০৫০ সালের আগে যেত না ।
কোন বিজয় এক দিনে আসে না ।
প্রত্যেকের এলাকার দিকে তাকায় দেখেন ।
কারা ৫ আগষ্টের আগে আপনার উপর অন্যায় হওয়া দেখে কথা বলেছে ।
কারা নির্যাতন সহ্য করে হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়েছে ।
আর ৫ আগষ্টের পরে কারা বিপ্লবী সেজেছে এবং বড় নেতা হয়েছে ।
নিজেরাই মিলায় দেখেন ।
আর এভাবে ই ৭১ ও হাতছাড়া হইছিলো ।

হাসিনার করা অত্যাচার কখনো ভুলবো না ।
যারা হাসিনার রোষানলে পড়ে ছাত্রলীগের মা/ইর খাইছে তারা জানে হাসিনা আর ছাত্রলীগ কেমন ছিলো ।
যারা গ্রেফতার হইছে রিমান্ডে গেছে, জেল খাটছে তারা জানে হাসিনা কেমন ছিলো ।

৫ আগষ্ট এমনি এমনি আসে নাই ।
এর ভিত্তি তৈরি করতে হইছে ।
আর দেশের সকল নিপিড়ীত মানুষের কান্না,রক্তের বিনিময়ে আসছে এই স্বাধীনতা ।
আমার মায়ের কান্না,বদদোয়া ও আছে তার মধ্যে ।
সেই পুলিশ আর ছাত্রলীগের নেতাদের হাত ধ্বংস হয়ে যাক যারা গায়ে হাত তুলেছিলো ।

নিরপরাধ হয়ে জেলে পচা মানুষের অভিশাপ ও আছে এর মধ্যে ।
হাসিনার আমলে যারা ১ দিনের জন্য হলেও নির্যাতনের স্বীকার হয় নাই ।
এরা বুঝবে না হাসিনা আর আওয়ামিলীগের স্বরূপ কেমন ছিলো ।
সন্তান কে দফায় দফায় পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে । মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো মায়েরা জানে হাসিনা কেমন ছিলো ।
আদালত চত্বর সাক্ষী হয়েছে হাজারো মজলুমের আর্তচিৎকার ।
আর যারা গুম হয়ে গেছে তাদের তো কোন অস্তিত্ব ই নেই ।
হাসিনাহীন দেশে এখন বড় বড় লেকচার দেওয়া যত সহজ । হাসিনার আমলে তার বিরুদ্ধে একটা শব্দ উচ্চারণ তত কঠিন ছিলো ।
৫ আগষ্টের পরে বিপ্লবী সাজা আর বড় রাজনীতিবিদ সাজা লোকদের আমি প্রচন্ড ঘৃণা করি ।
এদের মতো সুবিধাবাদীদের জন্য ই হাসিনার মতো রাক্ষসী এদেশের মানুষের উপর জুলুম করতে পারছে ।
অন্যায় করা এবং তা সহ্য করা উভয় ই সমান ।
জালিমের শাসনামলে যারা চুপ থাকে এদের চাইতে নিকৃষ্ট আর কেউ হতে পারে না ৷
এদের চুপ থাকাই জালিম কে শক্তি দেয় ।
নুরুল হক নুর সহ যারা হাসিনার পুরো সময়ে ওর বিরুদ্ধে কথা বলে গেছে সেই সকল মানুষ আমার কাছে হিরো ।

যারা হাসিনার মতো রাক্ষসী কে বুঝিয়েছে, আসছে ফাগুন আমরা দ্বিগুণ হবো তাদের প্রত্যেক কে আমি সম্মান করি ❤️❤️❤️❤️❤️
এরাই আমাদের মুক্তির কান্ডারী ছিলো ।

গৌরনদীর দরাজক‌ন্ঠের সা‌হেব আলী আর নেই

0

গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন দক্ষিণ বিজয়পুরের বাসিন্দা, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সম্পাদক এবং বরিশাল হাতেম আলী কলেজের অফিস সহকারী সাহেব আলী হাওলাদার আজ রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

ব্যক্তিজীবনে সাহেব আলী হাওলাদার ছিলেন সদালাপী, ন্যায়নিষ্ঠ ও বিনয়ী একজন মানুষ। চাকরিজীবনেও দায়িত্বশীলতা ও একনিষ্ঠতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন—

সাংবাদিক খোন্দকার কাওছার হোসেন, জহুরুল ইসলাম জহির, এখনই সময় ডটকম সম্পাদক টিএম তুহিন, সমকাল-এর প্রতিনিধি খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, মাইটিভি সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন মিয়া, গৌরনদী রিপোর্টের বেলাল হোসেন,গৌরনদী ডটকম সম্পাদক ফাহিম মুরশীদ, নিউজ রুম এডিটর সাদিকুল সুমন,

গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ, বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি এম. জহির উদ্দিন স্বপন, আকন কুদ্দুসুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সাবেক পৌর মেয়র আলাউদ্দিন ভুইয়া, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, বিএনপি নেতা স্বপন শরীফ, যুবদল নেতা জসিম শরীফ এবং গৌরনদীর ব্যবসায়ী মহল।

শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে তারা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন—আল্লাহ তাআলা মরহুমের আত্মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি প্রদান করুন।

জুলাই যোদ্ধাকে ৩২ টুকরো করার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জাবের হোসেন নামের এক যুবককে ৩২ টুকরো করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ আগস্ট) রাতে তারাব পৌরসভা আওয়ামী লীগ নামের একটি আইডি থেকে পোস্টের মাধ্যমে তাকে এ হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় জাবের হোসেন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জাবের হোসেন চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি বর্তমানে তারাব পৌরসভার দক্ষিণপাড়া এলাকায় থেকে রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছেন।
জাবের হোসেন বলেন, ২৪-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করি। এর সুবাদে উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিলুপ্ত কমিটির একটি পদ বহন করেছি। ১৫ আগস্ট আওয়ামীবিরোধী পোস্ট করার পর রোববার রাতে তারাব পৌরসভা আওয়ামী লীগ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টের মাধ্যমে আমাকে ৩২ টুকরো করা হবে বলে পোস্ট করে। এরপর থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ওই চক্রটি আমাকে লক্ষ করছে। বিষয়টি আমার কাছে সন্দিহান হওয়ায় সোমবার সকালে রূপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। বাকিটা প্রশাসন দেখবেন।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একটি সাধারণ ডায়েরি পেয়েছি। তদন্ত করে বের করা হবে আইডির প্রকৃত মালিক কে। আমাদের আইসিটি বিভাগে আইডির লিংক দেওয়া হয়েছে, আশা করছি দ্রুতই বের করতে সক্ষম হব।

মুখে কালো কাপড় নয়; মাথায় লাল কাপড় বেঁধে অধিকার আদায়ে নামতে হবে

ঢাকা, রবিবার, ১৭, আগস্ট, ২০২৫ খ্রী: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বলেছেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নিয়ে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের খসড়া নীতিমালা দেশের সাংবাদিক সংগঠন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে চুড়ান্ত করার আহবান জানান। অন্যথায় এই নীতিমালা গ্রহনযোগ্যতা হারাবে। “সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মুখে কালো কাপড় নয়, বরং মাথায় লাল কাপড় বেঁধে রাজপথে নামতে হবে।”

শনিবার ১৬ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি এ কে এম আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আহমেদ আবু জাফর বলেন, “বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে বঞ্চিত। তাদের জীবন ও পেশাগত নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন, হত্যা, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির ঘটনায় দোষীদের শাস্তি হয় না বললেই চলে। অথচ গণতন্ত্র রক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় এখন কঠোর আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “যে আন্দোলন কেবল প্রতীকী কালো কাপড় বেঁধে সীমাবদ্ধ থাকে, তাতে পরিবর্তন আসে না। আমাদের লাল কাপড় মাথায় বেঁধে রক্ত ঝরানোর শপথ নিয়ে মাঠে নামতে হবে। সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ন্যায্য দাবি আদায়ে এগিয়ে আসতে হবে।”

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলছেন, গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের জন্য যুগোপযোগী নীতিমালা দরকার। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ কাজটি করা উচিত।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চৌধুরী রাশিদ উদ্দিন মাহমুদ, মহাসচিব, শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন, মোঃ মনির হোসেন কাজী, সভাপতি, আইজেএফ, নাজমুল হাসান বাবু, চেয়ারম্যান, ফিউচার ফাউন্ডেশন, সম্পাদক, টুটুল চৌধুরী, নাট্য ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক, জনতা ব্যাংক।

অন্য বক্তারা বলেন, সাংবাদিক এবং সাংবাদিকদের সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই আলাদা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীদের হয়রানি, হুমকি ও হামলার ঘটনা বন্ধ করতে হবে।

আলোচনা সভায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোতাহার বাবু ও ফাতেমা আক্তার।

বিদেশে বাংলাদেশি সব মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ।

0

বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের কার্যালয় ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।কয়েকটি মিশনের কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এই নির্দেশনা কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়নি। বরং টেলিফোনে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরে ওই কূটনীতিকদের অন্য মিশনগুলোতে খবরটি পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনারকে কূটনৈতিক মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া প্যাসিফিক, আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, এখনো অনেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের নির্দেশ পাননি। তবে অন্তত দুটি মিশনের প্রধান নিশ্চিত করেছেন যে তারা সরকারের কাছ থেকে এমন বার্তা পেয়েছেন।