শিশুরা জন্মগতভাবেই অনুসন্ধিৎসু। তাদেরকে মুখস্থ করার খাঁচায় আটকে না রেখে চারপাশের পরিবেশ থেকে দেখে ও স্পর্শ করে শেখার সুযোগ করে দিলে শিক্ষার আনন্দ বহুগুণ বেড়ে যায়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ক্লাসরুমকে আকর্ষণীয় চিত্রকর্ম ও বর্ণমালা দিয়ে সাজানো হচ্ছে। দলগত কাজ, বিতর্ক ও নাটিকায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের আত্মপ্রকাশ ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ছোটবেলা থেকেই বিকশিত হচ্ছে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, প্রাথমিক স্তরে পড়ালেখাকে ভীতি নয়, বরং আনন্দের বিষয় করে তোলাই টেকসই শিক্ষার আসল লক্ষ্য।


