আমাদের সমাজে এখনো জিপিএ-৫ পাওয়াকে সফলতার একমাত্র মাপকাঠি মনে করা হয়। এর ফলে শৈশব থেকেই শিশুরা কোচিং সেন্টার আর গাইড বইয়ের অন্ধকূপে বন্দি হয়ে পড়ছে। হারিয়ে যাচ্ছে তাদের সৃজনশীলতা ও প্রশ্ন করার ক্ষমতা।
অথচ বর্তমান বিশ্ব কর্মক্ষেত্রে খুঁজছে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, যোগাযোগ নৈপুণ্য এবং সহমর্মিতাপূর্ণ নেতৃত্ব। বইয়ের তথ্য ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন সবার হাতের মুঠোয়; প্রয়োজন সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন কিছু সৃষ্টি করার মেধা।
আমাদের পাঠ্যক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতি এমন হতে হবে যাতে একজন শিক্ষার্থী ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পায় এবং একজন মানবিক মানুষ হিসেবে সমাজে অবদান রাখতে পারে।


