মঙ্গলবার প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান উপেক্ষা করে ক্যাম্পাসের ঝাল চত্বরে গাছের সঙ্গে ছাত্রশক্তির নামসংবলিত একটি ব্যানার টাঙানোর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এ কর্মকাণ্ডের কারণে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাসের ঝাল চত্বরে ‘বিএনপি সরকারের ২০০ দিনের যত ব্যর্থতা’ শীর্ষক ব্যানার টাঙান ছাত্রশক্তির নেতারা। পরে ক্যাম্পাসের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যানারটি অপসারণ করা হয়। সন্ধ্যার পর ফুয়াদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দিলে ব্যানার অপসারণের বিষয়টি সামনে আসে। পরে মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রশক্তির নেতারা আবারও একই ব্যানার টাঙান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশক্তির আহ্বাযকের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করে প্রক্টর অফিস।
ফুয়াদ হাসান বলেন, কিছুক্ষণ আগে ব্যানারটি আবারও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলার পর প্রক্টর অফিস থেকে তাদের কাছে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এখন হয়তো তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, তা জানেন না তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘আজকে এই সরকার, এই প্রশাসন পুরোপুরি স্বৈরাচার হয়ে গেছে। আমাদের সব রক্ত, শহীদদের রক্ত বৃথা চলে গেছে—এটুকুই আমরা বলব। আমরা সরকারের সমালোচনা করে একটি ব্যানার লাগাতে পারলাম না। এ কারণে আজ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এই বিচার আমি কার কাছে দেব, জানি না। বাংলাদেশের জনগণ এবং ছাত্রসমাজের কাছে আমি এই বিচার দিলাম।’ নোটিশে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার দায়ে ফুয়াদ হাসানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে।



