Home Blog Page 48

বাবুগঞ্জে সরকারি আবুল কালাম কলেজে বর্ণাঢ্য নবীন বরণ উৎসব

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজে বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় কলেজের একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে কলেজ ক্যাম্পাসকে মাদক ও স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ইসহাক শরীফ। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।

বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক তারকা ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যাপক অনুপম রায়, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রোকন, প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, মাহবুব আলম বাহাদুর, আলী হোসেন, রোজিনা আক্তার, সেলিম হোসেন, রাকুদিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মারুফ হাসান হৃদয়, সম্পাদক আব্দুল্লাহ নুর নোমান, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সম্পাদক তাজিম আহমেদ, কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি রাকিব শিকদার প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খান বলেন, ‘বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করার পরে একজন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের অধ্যাপক হিসেবে আমাকে অধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়েছে। আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখতে চাই। মাদকের থাবা এবং মোবাইলের আসক্তি আমাদের ছাত্র ও যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে দিচ্ছে স্মার্টফোন। ছাত্র ও যুবসমাজের জীবনীশক্তি ধ্বংস করে দিয়ে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। তাই মাদক এবং মোবাইলের অপব্যবহার রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, তাদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই। মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাই।’

নবীন বরণ ও শিক্ষার্থী সংবর্ধনা শেষে কলেজ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বরিশালের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সজীব আহমেদ ও তার ছোঁয়া ব্যান্ডদল। এসময় উপস্থিত দর্শকদের অনুরোধে গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠান মাতান নব্বই দশকের জনপ্রিয় এভারগ্রীণ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা অতিথি কণ্ঠশিল্পী ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। নব্বই দশকে ভারতীয় আগ্রাসন ও পানিচুক্তি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে গণআন্দোলনের থিম সং এভারগ্রীণ ব্যান্ডের ‘ভেঙে দাও ফারাক্কা’ নামের প্রতিবাদী গান এবং তুমুল জনপ্রিয় নন্দিনীসহ নিজের স্বরচিত কয়েকটি গান গেয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সুরের মূর্ছনায় মাতোয়ারা করেন একাধারে কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, আবৃত্তিকার, নাট্যনির্মাতা ও সরকারি আবুল কালাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। #

অতিরিক্ত আইজি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদের বিদায় সংবর্ধনা

0

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ, বিপিএম দীর্ঘ ৩৪ বছরের গৌরবময় কর্মজীবন শেষে অবসরে যাচ্ছেন। এ উপলক্ষে আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) বাহারুল আলম, বিপিএম। এ সময় অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মজীবনের নানা স্মৃতি ও অবদান নিয়ে সহকর্মীরা স্মৃতিচারণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, “জনাব সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন দায়িত্ব সততা ও সুনামের সাথে পালন করেছেন।” তিনি বিদায়ী কর্মকর্তার সুস্থ, সুন্দর ও শান্তিময় জীবন কামনা করেন।

নিজ বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, তিনি ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে

ভাসমান প্রাসাদ ফিরছে কীর্তনখোলায়

0

রফিকুল ইসলাম

বরিশাল মানেই নদী। আর সেই নদীর বুক জুড়ে ভেসে চলা প্যাডেল স্টিমার একদিন ছিল দক্ষিণবঙ্গের প্রাণশক্তি। এক প্রকার ভাসমান প্রাসাদ, যার গগনবিদারী হুইসেলের আওয়াজে ঘাটে ছুটে আসত জনপদ। ব্রিটিশ আমলেই শুরু হয়েছিল এই জলযাত্রা। পরিবহন নয়, ছিল নদীমাতৃক বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

কিন্তু ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেমে যায় সেই সুর। কদমতলীর ঘাটে পড়ে আছে নিঃশ্বাসহীন অস্ট্রিচ, মাহসুদ, লেপচা, টার্ন। যেন নদীর বুকে স্টিমারের সমাধি।

শনিবার দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ঘোষণা দিয়েছেন আবার চালু হচ্ছে স্টিমারসেবা।

আগামী অক্টোবর মাস থেকেই এ জাহাজ চলাচল শুরু হবে। #

রফিকুল ইসলাম
১৫_০৯_২০২৫

খোঁজ নেই লিবিয়া হয়ে সাগর পাড়ি দেয়া তরুণদের

চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩৬/৩৮ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা যাত্রা শুরু করে। কিন্তু এর পর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

হারিয়ে যাওয়া তরুণদের বাবা-মায়েরা আকুল আবেদন জানিয়ে বলেছেন—“আমাদের বুকের ধন সন্তানদের সম্পর্কে যদি কেউ কোনো খোঁজখবর পান দয়া করে জানাবেন। আমরা জানি না তারা কোথায় আছে, কেমন আছে। এখন পর্যন্ত কোনো নৌকা ডুবে যাওয়ার খবরও পাইনি। দালালদের কথামতো তারা নাকি ১২ তারিখে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

কিন্তু এখনো কোনো সঠিক তথ্য নেই। যদি মাল্টা, লিবিয়া বা ইতালায় কেউ তাদের খোঁজ পেয়ে থাকেন, আমাদের জানালে কৃতজ্ঞ থাকব। প্রতিটি পরিবার দুশ্চিন্তা ও কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।”







লি‌বিয়া দিয়ে ইটালি পৌঁছানোর দালালগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে — গৌরনদী

0

লি‌বিয়া দিয়ে ইটালি পৌঁছানোর দালালগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে — গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন ও পাশের বার্থী ইউনিয়নের একদল দালাল গত কয়েক মাস ধরে শত শত তরুণকে লিবিয়া হয়ে ইটালিতে পাঠাচ্ছে। একই সময়ও এক গ্রুপ জাহাজ চার দিন খোলা সমুদ্রেই ভাসমান থাকে, আরেকটি জাহাজ আটকে পড়ে; তাদের ভাগ্য সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ওই তরুণদের মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন গভীর উদ্বিগ্ন।

সূত্র জানায়, গত বছর থেকেই এসব দালাল খাঞ্জাপুর ও বার্থী এলাকার অনেক যুবককে লিবিয়া পৌঁছে দিয়ে তাদের ইটালি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। বড় অঙ্কের অর্থের চুক্তির মাধ্যমে দালালরা শত শত ব্যক্তির পাসপোর্ট নেয় এবং স্থানীয় বিমানবন্দরে অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তাদের বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে আরব দেশে পাঠায়। এরপর ধাপে ধাপে লিবিয়া নিয়ে আসা হয় — সেখানে গুদামে বা কেম্পে রেখে পরে অন্য দালালদের কাছে বিক্রি করা হয়। কোটিপতি কন্ট্রাক্ট থেকে শুরু করে ছোট-বড় নৌকা দিয়ে সমুদ্রপাড়ি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জীবন-মরণসচেতন দূর্দশা শুরু হয়।

বর্ণনা অনুযায়ী, সমুদ্রপাড়ি দেওয়ার আগে গেমঘর থেকে অর্ধাহারে, শুকনো ভোজন ও সীমিত পানি দিয়ে নাবিকালয় চালানো হয় — যাতে চলার সময় মলের চাপ কম লাগে। দীর্ঘ সময় খাবার ও পানির অভাবে অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়েন; কেউ কেউ নৌকাতেই মৃত্যুবরণ করেন। আবার প্রচণ্ড ঠান্ডা ও লবণাক্ত পানিতে দৌড়াতে গিয়ে হাপানি ক্রিয়ায় মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তাছাড়া, টাকা বিলম্ব করলে বা কোনো সমস্যা দেখা দিলে দালালরা আরও শক্তিশালী মাফিয়া বা অপর গ্রুপের হাতে তুলে দেয়; মাফিয়াদের নির্যাতনে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। বাঁচতে হলে অনেকেই অতিরিক্ত অঙ্কের টাকা দিয়ে মাফিয়াদের কাছে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

শিবিরকে কেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা এত সমর্থন করছে?

0

এর একমাত্র কারণ, শিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করে যাচ্ছে। শিবির আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করে, তাঁরা কখনোই তাদের দলের মধ্যে অন্যায় ও অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়না। অন্যান্য দলের মতো শিবিরের নেতাকর্মীদের অসৎ উপার্জনের কোন সুযোগ নেই। যেখানে অন্যান্যরা অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিভাবে শিক্ষার্থীদের পকেট কাটবে এই ধান্ধায় থাকে। এছাড়াও যখন শিবির নিত্যনতুন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাজনীতির চর্চা করছে অন্যান্যরা পড়ে আছে চেতনাবাদী, ঘৃণাবাদী, ট্যাগিং-ফ্রেমিং নির্ভর রাজনীতি নিয়ে।

এটাই এই সময়কার বাস্তবতা। শিবির যদি প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এভাবে অনবরত কাজ করার সুযোগ পায় তবে অন্য সবাই একজোট হয়ে শিবিরের বিরুদ্ধাচরণ করলেও তেমন একটা লাভ হবেনা। কারণ শিক্ষার্থীদের ভালবাসা ও সমর্থনই শিবিরের মূল শক্তির উৎস। তাঁরা আর ৯০ এর দশকের পেশিশক্তি নির্ভর রাজনীতি দেখতে চায়না। ডাকসু নির্বাচনে তাঁরা এই অপরাজনীতিকে “না” বলে দিয়েছে। জুলাই প্রজন্ম ইতিবাচক রাজনীতিতেই আস্থা রাখছে।

বাবুগঞ্জ-মুলাদীতে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজের বরাদ্দ করিয়েছিঃ ব্যারিস্টার ফুয়াদ

✪ আরিফ আহমেদ মুন্না ➤
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, ‘আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমার রাজনীতি হলো মানুষের কষ্ট দূর করার রাজনীতি। আমার রাজনীতি মানুষের সমস্যা সমাধান করার রাজনীতি। কার কী সমস্যা, কার কী প্রয়োজন, কার কী অভাব-অভিযোগ, সেটা জানার জন্য আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমি আমার দায় ও দরদের জায়গা থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করি। আমাকে কিছু মানুষ মূল্যায়ন করে, আমার কথা শোনে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজে এমপি-মন্ত্রী না হয়েও এলাকার মানুষের জন্য কিছু কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বরিশালে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করিয়েছি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেসব কাজ দৃশ্যমান হবে।’

গতকাল বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিমানবন্দর প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্নার সভাপতিত্বে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, ‘ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের মহাসড়ক নির্মাণ কাজের প্রথম অংশ বরিশাল পর্যন্ত তদবির করে একনেকে পাস করিয়েছি। এছাড়াও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ সেতুর কাজ আবার চালু করিয়েছি। এর পাশাপাশি বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর এবং চাঁদপাশায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচিহ্ন বসতবাড়ি রক্ষা, জাদুঘর মেরামত ও সংস্কার, রহমতপুর ও বাবুগঞ্জ বাজারের রাস্তা নির্মাণ, কলেজ গেট থেকে লাকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারসহ উপজেলার ৩৬টি রাস্তা পাকাকরণ, ৬৭টি নতুন রাস্তা নির্মাণ, ৭৬টি মসজিদ-মন্দির সংস্কার, ৯৮টি টিউবওয়েল স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও সেবার মান বৃদ্ধিসহ ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। এর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পাস হয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলোর কাজও পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে।’

বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সদস্য ও চর সাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি, যুগ্ম-আহবায়ক সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের আইন সম্পাদক ও বরিশাল জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মৃধা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, সদস্য আলিফ হাসান সাব্বির, নবীন দাস, প্রকৌশলী মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ। ওই মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আগে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। #

আহমেদ মুন্নার কলাম : ডাকসু জাকসু নির্বাচন বি‌শ্লেষন

0

ডাকসুর পরে জাকসু নির্বাচনেও শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়ের অধিপত্য নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় চলছে। চায়ের আড্ডায় চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বিএনপির ছাত্র সংগঠনের ভরাডুবির কারণ কিংবা জামায়াতি সাফল্যের গোপন কেরামতি নিয়ে নানান সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মোটাদাগে আমার কাছে এর একটা সহজ সমীকরণ আছে। আপনার সাথে মেলে কিনা দেখেন। আমার কাছে মনে হয়- ক্যাম্পাসে ছাত্রদল কিংবা ছাত্রলীগের চাইতে শিবিরের কাছেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা বেশি নিরাপদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা এটা বিশ্বাস করে। এমনকি ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলের মৌন সমর্থকরাও বিশ্বাস করে- নিজের দলের নেতাদের চেয়ে শিবির নেতাদের কাছে তারা তুলনামূলক ভালো থাকবে। অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, জুলুম-নির্যাতন কিছুটা হলেও কম হবে।

আমার ধারণা- কেবল দলকানা আর অন্ধ দলপ্রেমী ছাড়া এটা বাংলাদেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষও এখন বিশ্বাস করে। কারণ, মানুষের এই বিশ্বাস শিবির নেতারা তাদের বিগত দিনের আচরণ দিয়ে অর্জন করেছে। আমার মতো অনেক মানুষ তাদের দলকে পছন্দ করে না; কিন্তু বিশ্বাস করে। আপনি শিবিরকে রগকাটা বাহিনী কিংবা রাজাকারের বাচ্চা ট্যাগ দিয়ে সাধারণ মানুষের এই গভীর বিশ্বাসকে ভাঙবেন কীভাবে? ৫৪ বছরের বাসি চেতনার শরবত গিলিয়ে তাজা বর্তমানকে অচেতন করবেন কীভাবে?

❑ আহমেদ মুন্না
সাংবাদিক, কলামিস্ট, কবি ও মানবাধিকারকর্মী।

ক্রেডিট ইউনিয়ন নির্বাচন সম্পন্ন; সভাপতি শাহে আলম, সম্পাদক মিরাজ।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া
কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচনে চেয়ার প্রতীক নিয়ে ১,৩৭০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শাহে আলম হাওলাদার এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাছ প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াস ওসমান পেয়েছেন ১০১ ভোট। দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৮৪৩ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ মিরাজ বেপারী এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাজ প্রতীকের প্রার্থী এসএম মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৩৯৩ ভোট।

নলচিড়া কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ক্রেডিট ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৫১৭ জন। তবে ঋণখেলাপির কারণে ১ হাজার ১৫৮ জন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫৯ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৪ জন, সম্পাদক পদে ৫ জন, কোষাধক্ষ্য পদে ২ জন এবং সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী লড়ছেন।

সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী-পুরুষ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্যের সঙ্গে তারা ভোট প্রদান করেন তারা।

জানা গেছে, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সমবায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম সফল ক্রেডিট ইউনিয়ন হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। সমবায় অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত এ প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালে জাতীয় স্বর্ণপদক লাভ করে

জা‌বি‌তে জাকসু নির্বাচ‌নে ভি‌পি স্বতন্ত্র শি‌বির প‌্যা‌নেলের জ‌য়

0

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) এর ফল প্রকাশ:

১/ভিপি- আব্দুর রশিদ জিতু (স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেল)
২/জিএস- মো: মাজহারুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
৩/এজিএস (পুরুষ)- ফেরদৌস আল হাসান (শিবির প্যানেল)
৪/এজিএস (নারী)- আয়েশা সিদ্দীকা মেঘলা (শিবির প্যানেল)

৫/শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- আবু ওবায়দা ওসামা (শিবির প্যানেল)
৬/পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক- মো. শাফায়েত মীর (শিবির প্যানেল)
৭/সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক- মো. জাহিদুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
৮/সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মহিবুল্লাহ শেখ জিসান (স্বতন্ত্র) / আলী জাকি শাহরিয়ার (শিবির প্যানেল)
৯/সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: রায়হান উদ্দীন (শিবির প্যানেল)
১০/নাট্য সম্পাদক- মো রুহুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
১১/ক্রীড়া সম্পাদক-মাহমুদুল হাসান কিরন (স্বতন্ত্র)
১২/সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী)- ফারহানা আক্তার লুবনা (শিবির প্যানেল)
১৩/সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ)- মো. মাহাদী হাসান (শিবির প্যানেল)
১৪/তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক- মো. রাশেদুল ইসলাম লিখন (শিবির প্যানেল)
১৫/সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক- আহসাব লাবিব (গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-বাগছাস)
১৬/সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী)- নিগার সুলতানা (শিবির প্যানেল)
১৭/সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ)- মো. তৌহিদ হাসান (শিবির প্যানেল)
১৮/স্বাস্হ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক- হুসনী মোবারক (শিবির প্যানেল)
১৯/ পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক- মো. তানভীর রহমান (শিবির প্যানেল)

২০/কার্যকরী সদস্য—
পুরুষ-১: মো. তরিকুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
পুরুষ-২: মো. আবু তালহা (শিবির প্যানেল)
পুরুষ-৩: মো. মহসিন (শিবির প্যানেল)

নারী-১: নাবিলা বিনতে হারুণ (শিবির প্যানেল)
নারী-২: ফাবলিহা জাহান (শিবির প্যানেল)
নারী-৩: নুসরাত জাহান ইমা (শিবির প্যানেল)