ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মদ হাসিবুল হাসান বুধবার (৭ অক্টোবর) পৌরসভার সহকারী কর নির্ধারক মো. তাইয়্যেবুর রহমান রনির সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন না করতে শহরজুড়ে মাইকিং করে সতর্ক করেছেন। পৌরসভার নির্দেশনা অনুযায়ী করা এ সতর্কীকরণে বলা হয়েছে, পৌরসভার যেকোনো সেবা নিতে হলে নির্ধারিত রসিদ ছাড়া কাউকে কোনো টাকা দেওয়া যাবে না।
অভিযোগ আছে, রনি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বাবুল মুহুরির ছেলে। হোল্ডিং নম্বর দেওয়ার কথা বলে তিনি কয়েকজনের কাছ থেকে পৌরসভার নির্ধারিত রসিদ ছাড়াই অর্থ নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হলে পৌরসভা নড়েচড়ে বসে এবং মাইকিং করে সতর্কবার্তা দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে মজা করে বলছেন, এতদিন বাইরের প্রতারকদের সম্পর্কে সতর্ক হতে শুনতেন, এবার নিজের পৌরসভার কর্মচারীর সঙ্গেও লেনদেনের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হচ্ছে। তবে হাস্যরসের আড়ালে তাদের উদ্বেগও কম নয়। তারা দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পৌরসভার আর্থিক লেনদেনে আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার জোর দিয়েছেন।
ডেইলি বরিশাল-কে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পৌরসভার আর্থিক লেনদেনে আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষও পৌরসভার সেবা নিতে গিয়ে টাকা দেওয়া-নেওয়ার বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাবেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন।


