নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক রূপান্তর এনেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত। কোনো ধরনের ভৌগোলিক বাধা ছাড়াই ঘরের নিরাপদ পরিবেশ বজায় রেখে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের কাজ সম্পন্ন করছেন দেশের মেধাবী নারীরা।
বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ হয়ে ওঠা গৃহিণী ও তরুণীরা এখন পরিবারে প্রধান আর্থিক জোগানদাতা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। এতে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সফল ফ্রিল্যান্সাররা বলছেন, সঠিক ইন্টারনেট সংযোগ, ধৈর্য এবং ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগের দক্ষতা থাকলে নারীরা এ খাতে পুরুষদের সমান বা তার চেয়েও বেশি সাফল্য দেখাতে পারেন।


