সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

সারাদেশ

লটারিতে প্রথম হয়েও সারের ডিলারশিপ পাননি কৃষক দল সভাপতি

লটারিতে প্রথম হয়েও সারের ডিলারশিপ পাননি কৃষক দল সভাপতি...

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৫ পিএমসর্বশেষ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৫ পিএম
লটারিতে প্রথম হয়েও সারের ডিলারশিপ পাননি কৃষক দল সভাপতি

গৌরীপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন শাহী মুন্সী।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌর কৃষক দলের সভাপতি মো. গোলাম কাজীয়েল হাজাত শাহী মুন্সী।

সংবাদ সম্মেলনে শাহী মুন্সী অভিযোগ করেন, প্রতিটি সার ডিলার নিয়োগে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার অলিখিত বাণিজ্য হয়েছে। লটারিতে প্রথম স্থান অর্জন করেও তিনি ডিলারশিপ পাননি। শুধু তিনি নন, লটারিতে বিজয়ী সবার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় বিএনপির দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন গৌরীপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে লটারিতে প্রথম হয়েও বঞ্চিত মেসার্স আরিফ এন্টারপ্রাইজের মো. নুরুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর কৃষক দলের সহসাধারণ সম্পাদক ফজলুল আল আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী বাচ্চুসহ অন্যরা।

অন্যদিকে, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ‘ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের’ অভিযোগ তুলে ডিলারশিপের তালিকা বাতিলের দাবিতে রোববার (১১ অক্টোবর) কৃষিমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি।

আবেদনে স্বাক্ষর করেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. আব্দুর রহমান বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আলী আকবর আনিছ ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. রমজান হোসেন খান জুয়েল।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ বলেন,শাহী মুন্সী দলের নিবেদিত কর্মী। লটারিতে তার নাম উঠেছে এবং আমরাও তার নাম দিয়েছিলাম। আমাদের দেওয়া তালিকা বাদ দিয়ে জেলা প্রশাসক একটি তালিকা করে দিয়েছেন। এর বিরুদ্ধে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, টাকাপয়সা লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এসব অভিযোগ করছেন। কিন্তু আমাদের দেওয়া তালিকা যে পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে, তারা সেটা বুঝতে চাইছেন না।

এ বিষয়ে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কাওছার আহম্মদ খান বলেন, ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১৪১ জন ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন। এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১১ জন কর্মকর্তা তদন্ত করেন। পরে ৩৩ জনের নামের তালিকা পাঠানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমীন পাপ্পা বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই করা ডিলারদের নামের তালিকা অনুযায়ী লটারির শেষ পর্যায়ে ‘মব’ সৃষ্টির মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। পরে স্বচ্ছতার সঙ্গে ডিলারদের নামের তালিকা করা হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ