সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

জাতীয়

খুলনার নদীতে ভাসছিল ২ লাশ, ৩ দিনে ৪ হত্যা

খুলনার নদীতে ভাসছিল ২ লাশ, ৩ দিনে ৪ হত্যা...

ম
মুনতাসির মাহমুদ· বার্তা সম্পাদক
প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৭ পিএমসর্বশেষ: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম
খুলনার নদীতে ভাসছিল ২ লাশ, ৩ দিনে ৪ হত্যা

খুলনায় গত তিন দিনে অন্তত চারটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আজ সোমবার এক নদী থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার ও গত শনিবার হামলা ও ছুরিকাঘাতে আরও দুজন নিহত হন।

আজ রূপসা উপজেলার আঠারোবেকি নদী থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাদের একজনকে কুপিয়ে ও অন্যজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের চর মোছাব্বরপুর গ্রামের জেলখানা ঘাট এলাকার সিংহের চর থেকে আজ দুপুরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা প্রথমে নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। ভাটার সময় পানি কমে গেলে একই জায়গায় আরেকটি মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন মেহেদী হাসান সোহাগ (৩৮) ও আল আমিন হোসেন (২৪)। সোহাগ রূপসার রাজাপুর এলাকার আবদুল্লাহর ছেলে। তিনি জেলখানা ঘাটে মাঝি হিসেবে কাজ করতেন। আল আমিনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) আনিসুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিহতদের কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল কি না, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

খুলনা নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মঞ্জুর মোর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘মরদেহ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। নিহতরা কবে ও কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তা জানতে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের রায়েরমহল এলাকায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলায় নিহত হন খুলনা মহানগর তাতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবির।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাকিতে কেনা একটি ফ্রিজের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে শনিবার রাত ১১টার দিকে নগরের লবণচরা এলাকার কাশেমিয়া জামে মসজিদ থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে শহীদুল ইসলাম কলিন (৩৫) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানান, কলিনের বিরুদ্ধে সাতটি মাদক মামলা এবং একটি হত্যা মামলা ছিল। তার মৃত্যুর সঙ্গে এসব মামলার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মুনতাসির মাহমুদ

বার্তা সম্পাদক

নিউজরুম এডিটর, ডেইলি বরিশাল ডটকম। বার্তা বিভাগে অভিজ্ঞতা ৭ বছর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ